প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
বাব-এল-মান্দেব প্রণালিতে হুথি, ইয়েমেনের সশস্ত্র গোষ্ঠী, দাবি করেছে সৌদি আরবের সামরিক সরঞ্জাম বহনকারী একটি জাহাজে হামলার।
মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) হুথি নিয়ন্ত্রিত বার্তা সংস্থা সাবার সাম্প্রতিক খবরটি জানায় আল জাজিরা।
ইয়েমেনের কোস্ট গার্ড তথ্য জানায় যে, বাব-এল-মান্দেব প্রণালিতে একটি বাণিজ্যিক জাহাজের ওপর হামলায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ছয় জন হয়েছে। এছাড়াও, হামলায় আরও ১০ জন আহত হয়েছেন।
যদিও, সৌদি আরবের সামরিক সরঞ্জাম বহনকারী জাহাজে হুথিদের হামলার পর কিভাবে প্রতিক্রিয়া জানানো হবে, তা নিয়ে রয়েছে অনেক জল্পনা। বিশেষ করে সম্প্রতি পাকিস্তান, সৌদি আরব ও তুরস্কের মধ্যে হওয়া সামরিক চুক্তির প্রেক্ষাপটে। মধ্যপ্রাচ্য ও ইউক্রেন সহ বিভিন্ন অঞ্চলে চলমান সংঘাতের সময় তিন মুসলিম দেশের এই সমঝোতা আঞ্চলিক নিরাপত্তার ক্ষেত্রে নতুন পরিবর্তন আনতে পারে।
মক্কায় সই হওয়া চুক্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, তিন দেশের যে কোনো একটির ওপর সশস্ত্র হামলা হলে সেটিকে তিন দেশের ওপর হামলা হিসেবে গণ্য করা হবে। এই চুক্তি অনুসারে সম্ভাব্য আগ্রাসনের বিরুদ্ধে যৌথ প্রতিরোধ গড়ে তোলার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে দেশগুলো।
এর আগে, এপ্রিলে আল জাজিরার একটি প্রতিবেদনে জানানো হয়েছিল যে, সৌদি আরবের একটি বিমানঘাঁটিতে পাকিস্তানের যুদ্ধবিমান ও সহায়ক উড়োজাহাজ অবতরণ করেছে। দুই দেশের মধ্যে স্বাক্ষরিত পারস্পরিক প্রতিরক্ষা চুক্তির অধীনে এই উড়োজাহাজগুলি মোতায়েন করা হয়েছে।
সেসময়ে সৌদি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছিল, কিং আবদুলআজিজ বিমানঘাঁটিতে এই যুদ্ধবিমান মোতায়েনের উদ্দেশ্য হলো যৌথ সামরিক সমন্বয় জোরদার করা এবং সশস্ত্র বাহিনীর কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি করা, যেন আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব হয়।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন