প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
কোস্ট গার্ডের অভিযানে উদ্ধার ১৩ কেজি মাংস, পালিয়ে গেল চোরা শিকারিরা
দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের বিশ্বের সর্ববৃহৎ ম্যানগ্রোভ বনাঞ্চল ও মৎস্যভান্ডার হিসেবে খ্যাত বিশ্ব ঐতিহ্য বিশ্বের বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন সুন্দরবনে বন্যপ্রাণী শিকার ও পাচারের বিরুদ্ধে অভিযান জোরদার করেছে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড। এরই ধারাবাহিকতায় সুন্দরবনের গোলখালীর সিংয়ের বাঁধ এলাকায় অভিযান চালিয়ে প্রায় ১৩ কেজি হরিণের মাংস, চারটি পা, একটি মাথা ও একটি আস্ত চামড়া জব্দ করা হয়েছে। তবে কোস্ট গার্ডের উপস্থিতি টের পেয়ে চোরা শিকারিরা বনের ভেতরে পালিয়ে যাওয়ায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।
কোস্ট গার্ড সদর দপ্তরের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
কোস্ট গার্ড পশ্চিম জোন সূত্রে জানা যায়, সুন্দরবনের গভীর বন থেকে হরিণ শিকার করে পাচারের উদ্দেশ্যে একটি চক্র গোলখালীর সিংয়ের বাঁধসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে—এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কোস্ট গার্ডের একটি দল দ্রুত সেখানে পৌঁছে চারদিক থেকে এলাকা ঘিরে অভিযান চালায়।
অভিযানকারী দল সম্ভাব্য আস্তানার কাছাকাছি পৌঁছালে শিকারিরা বনের ভেতরে পালিয়ে যায়। পরে ওই এলাকায় তল্লাশি চালিয়ে তাদের ফেলে যাওয়া অবস্থায় হরিণের মাংস, চারটি পা, একটি মাথা ও একটি আস্ত চামড়া উদ্ধার করা হয়।
কোস্ট গার্ডের কর্মকর্তাদের নির্দেশে জব্দ করা আলামতগুলো পরবর্তী আইনানুগ ও বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সুন্দরবনের কোবাদক ফরেস্ট টহল ফাঁড়ির বনরক্ষীদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন জানান, সুন্দরবনের বন্যপ্রাণী, বিশেষ করে চিত্রা হরিণ ও রয়েল বেঙ্গল টাইগার রক্ষায় কোস্ট গার্ড জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করছে। মোংলা বন্দর ও সুন্দরবনের বিস্তীর্ণ নদীপথ ব্যবহার করে বন্যপ্রাণী হত্যা, চামড়া পাচার এবং বিষ প্রয়োগে মাছ ধরা বন্ধে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
তিনি আরও জানান, সুন্দরবনের জীববৈচিত্র্য ও প্রাকৃতিক সম্পদ রক্ষায় এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও চলবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন