প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফলে কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের পাসের হার ৪৮ দশমিক ০৪ শতাংশ রেকর্ড করা হয়েছে। এই বছর বোর্ডের অধীনে ৯২ হাজার ১৬২ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৪৪ হাজার ২৭২ জন পাস করেছে এবং ১ হাজার ৩১৩ জন জিপিএ-৫ অর্জন করেছে। তবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানভিত্তিক ফলাফলে উদ্বেগজনক চিত্র দেখা গেছে; বোর্ডের ১৫টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে একজন পরীক্ষার্থীও পাস করতে পারেনি। অন্যদিকে, মাত্র চারটি প্রতিষ্ঠান শতভাগ পাসের হার অর্জন করেছে।
বোর্ডের সূত্রে জানা গেছে, কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ৪৫৬টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা ১৯৩টি কেন্দ্রে এইচএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছে। মোট পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৪৭ হাজার ৮৯০ জন অকৃতকার্য হয়েছে।
যে ১৫টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে কোনো শিক্ষার্থী পাস করতে পারেনি, সেগুলো হলো: চাঁদপুর জেলায় ‘চাঁদপুর পৌর শহীদ জাবেদ উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ’, মতলব দক্ষিণের ‘ড. এম শামসুল হক মডেল কলেজ’। কুমিল্লা জেলার লালমাইয়ের ‘সুরুজ মেমোরিয়াল উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ’, চৌদ্দগ্রামের ‘বগৈর গার্লস হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজ’, ব্রাহ্মণপাড়ার ‘প্রফেসর সিকান্দার আলী ভূঁইয়া গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজ’। লক্ষ্মীপুর জেলায় ক্যামব্রিজ সিটি কলেজ, কমলনগরের ‘তুরাবগঞ্জ হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজ’, সদরের ‘বীর মুক্তিযোদ্ধা ড. মমতাজ উদ্দীন আলোকিত কলেজ’, ‘লক্ষ্মীপুর পুলিশ লাইনস স্কুল অ্যান্ড কলেজ’, কমলনগরের ‘ফজু মিয়ার হাট হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজ’।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নবীনগরের ‘জিনদপুর ইউনিয়ন স্কুল অ্যান্ড কলেজ’, ‘বীরগাঁও স্কুল অ্যান্ড কলেজ’। ফেনী জেলার ফেনী সদরের বেগম শামসুন্নাহার গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজ এবং বিকন মডেল কলেজ। নোয়াখালী জেলার বেগমগঞ্জের অ্যাপেক্স মডেল কলেজ (আপার মডেল কলেজ)।
কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মো. শফিকুল ইসলাম মন্তব্য করেছেন যে, ১৫টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কোনো পরীক্ষার্থী পাস করতে পারেনি। অন্যদিকে, চারটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শতভাগ শিক্ষার্থী পাস করেছে। বিজ্ঞান বিভাগের ফলাফল তুলনামূলকভাবে ভালো হলেও ইংরেজি ও উচ্চতর গণিতে শিক্ষার্থীরা কাঙ্ক্ষিত ফলাফল অর্জন করতে পারেনি।
ফলাফলের এই চিত্রে একদিকে অকৃতকার্য প্রতিষ্ঠানগুলোর শিক্ষার মান নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে, অন্যদিকে ইংরেজি ও উচ্চতর গণিতে শিক্ষার্থীদের দুর্বলতার বিষয়টিও স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন