প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
পাকিস্তানে আমদানি নির্ভর জ্বালানিতে একটি দ্বিমুখী সংকট সৃষ্টি হয়েছে। তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের (এলএনজি) বৈশ্বিক সরবরাহ স্বাভাবিক না থাকার কারণে দেশে মারাত্মক গ্যাস ও বিদ্যুৎ ঘাটতি দেখা দিয়েছে। অপরদিকে, পেট্রোল ও ডিজেলের মূল্য আকাশচুম্বী হয়ে উঠেছে। এই কঠিন জ্বালানি সংকটের মোকাবিলায় এবং সরকারি ব্যয় কমানোর লক্ষ্যে পাকিস্তান সরকার বেশ কিছু কৃচ্ছ্রসাধন নীতি ও কড়াকড়ি আরোপ করেছে। তবে, তীব্র জ্বালানি সংকটের মধ্যেও মোটরসাইকেল ও রিকশার মতো ছোট যানবাহন ব্যবহারকারীদের জন্য সরকার কিছু সুবিধা প্রদান করছে।
পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ ২০০৬ সালের ১ জানুয়ারির পর নিবন্ধিত মোটরসাইকেল, রিকশা ও কিংকি যানবাহনকে সরকারের নতুন জ্বালানি ত্রাণ কর্মসূচিতে অন্তর্ভুক্ত করার নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি জ্বালানির ঊর্ধ্বগতির প্রেক্ষিতে এসব যানবাহনের ব্যবহারকারীদের স্বস্তি দিতে এ কর্মসূচি ঘোষণা করেন।
শুক্রবার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে একটি পোস্টে জানায়, ২০০৬ সালের ১ জানুয়ারির পর নিবন্ধিত মোটরসাইকেল, রিকশা ও কিংকি যানবাহন এই কর্মসূচির জন্য নিবন্ধনের সুযোগ পাবে। এর ফলে, প্রায় ২০ বছরের পুরোনো এসব যানবাহনের মালিকরাও জ্বালানি ত্রাণ সুবিধা গ্রহণের সুযোগ পাবেন।
পাক সংবাদ মাধ্যম ডন জানাচ্ছে, গত ১৩ সেপ্টেম্বর বিশ্ববাজারে তেলের দাম বৃদ্ধির কারণে মোটরসাইকেল, অটোরিকশা এবং ৮০০ সিসি পর্যন্ত ইঞ্জিনের যানবাহনের ব্যবহারকারীদের সুবিধা দিতে শাহবাজ শরিফ এই কর্মসূচি ঘোষণা করেছেন।
কর্মসূচির আওতায় মোটরসাইকেল, রিকশা, কিংকি, তিন চাকার যান এবং ৮০০ সিসি পর্যন্ত গাড়িতে প্রতি লিটার পেট্রোলে ১০০ রুপি করে ভর্তুকি প্রদান করা হবে। দুই ও তিন চাকার যানবাহনের জন্য মাসে সর্বোচ্চ ২০ লিটার এবং ৮০০ সিসি পর্যন্ত ছোট গাড়ির জন্য ৩০ লিটার পেট্রোলে এই সুবিধা পাওয়া যাবে।
তবে, বৃহস্পতিবার দেশব্যাপী কর্মসূচির প্রথম দিনেই কিছু জটিলতা দেখা দেয়। প্রয়োজনীয় ডিজিটাল ব্যবস্থা না থাকার কারণে অনেক পেট্রোল পাম্প নির্ধারিত দামে জ্বালানি দিতে অস্বীকৃতি জানায়। এর আগে পাকিস্তান পেট্রোলিয়াম ডিলারস অ্যাসোসিয়েশনও ভর্তুকির অর্থ পরিশোধের প্রক্রিয়া নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছিল।
এদিকে, জ্বালানি সংকটের মধ্যে সরকার বৃহস্পতিবার নতুন করে কৃচ্ছ্রসাধন ব্যবস্থা চালু করেছে। এর আওতায় বাজার রাত ৯টার মধ্যে বন্ধ করার এবং তিন মাসের জন্য সরকারি যানবাহনে জ্বালানি সরবরাহ ৫০ শতাংশ কমানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন