প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
বিশ্বের শীর্ষ ধনী ইলন মাস্কের মহাকাশ গবেষণা প্রতিষ্ঠান স্পেসএক্স মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ পশ্চিমাঞ্চলীয় রাজ্য লুইজিয়ানায় তাদের বৃহত্তম রকেট উৎক্ষেপণ কেন্দ্র নির্মাণের একটি বিশাল পরিকল্পনার ঘোষণা দিয়েছে। প্রায় ১০০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার ব্যয়ে নির্মিতব্য এই নতুন ঘাঁটির নাম রাখা হয়েছে ‘স্টারবেস, লুইজিয়ানা’। দেড় লক্ষ একর বা প্রায় ৫০ হাজার ৫৮৫ হেক্টরের বিশাল এই এলাকায় আগামী বছর থেকেই নির্মাণ কাজ শুরু হবে। এর ফলে টেক্সাসের বর্তমান সদর দফতর এবং ফ্লোরিডার কেন্দ্রগুলোর বাইরে নিজেদের কার্যক্রম বহুগুণ বাড়ানোর সুযোগ পাবে সংস্থাটি।
স্পেসএক্সের তরফ থেকে জানানো হয়েছে, নতুন এই উৎক্ষেপণ কেন্দ্রটি প্রতি বছর হাজার হাজার ‘স্টারশিপ’ মহাকাশযানের ফ্লাইট পরিচালনার সক্ষমতা রাখবে। এই ফ্লাইটগুলি পৃথিবী উপগ্রহের কক্ষপথ, চাঁদ, মঙ্গল গ্রহ এবং তার বাইরের মহাকাশ অভিযানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। নতুন এই মেগা কেন্দ্র থেকে ২০২৯ সালের মধ্যে প্রথম স্টারশিপ ফ্লাইট চালুর লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।
এই বিশাল প্রকল্পের বাস্তবায়ন হলে স্থানীয় অর্থনীতিতে ব্যাপক প্রভাব পড়বে বলে আশা করা হচ্ছে। এটি সরাসরি ৩ হাজারেরও বেশি মানুষের নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করবে। এছাড়াও, প্রত্যক্ষ কাজের বাইরে অন্তত ৮১০টি পরোক্ষ চাকরির সুযোগ তৈরি হবে বলে লুইজিয়ানা ইকনোমিক ডেভেলপমেন্ট এজেন্সি অনুমান করছে। সংস্থাটি জানিয়েছে, এই কেন্দ্রে কর্মরত কর্মীদের গড় বেতন বর্তমানে অঞ্চলের গড় বেতনের চেয়ে প্রায় ১৯২ শতাংশ বেশি হবে। রাজ্যের অর্থনৈতিক সংস্থাটির মতে, ঐতিহাসিক এই প্রকল্পটি লুইজিয়ানা রাজ্যকে বিশ্বজুড়ে পরবর্তী প্রজন্মের অ্যারোস্পেস হাব হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করবে।
লুইজিয়ানার এই নবনির্মিত কেন্দ্রটি টেক্সাসের দক্ষিণ প্রান্তে অবস্থিত স্পেসএক্সের অন্য একটি কেন্দ্রের মতো একইভাবে ‘স্টারবেস’ নামেই পরিচিত হবে। সম্প্রতি বাজার মূলধনে নতুন রেকর্ড সৃষ্টি করা প্রযুক্তি সংস্থা স্পেসএক্স সম্প্রতি পাবলিক শেয়ার বাজারে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। নিউ ইয়র্কের প্রযুক্তি নির্ভর শেয়ারবাজার নাসড্যাকে বৃহত্তম অলটাইম আইপিও হিসেবে এটি আত্মপ্রকাশ করে। তবে আইপিও পরবর্তীতে প্রাথমিক লাফ দেওয়ার পর এর শেয়ারের দাম শীর্ষ অবস্থান থেকে কিছুটা কমে ৩০ শতাংশের মতো পড়ে গিয়েছে, যদিও এটি এখনও এর শুরুর অফার মূল্যের চেয়ে বেশি দামে লেনদেন হচ্ছে। বিনিয়োগকারীদের লাভজনকতার নিশ্চয়তা দেওয়ার পাশাপাশি মঙ্গল গ্রহ অভিযান, এআই চালিত প্রযুক্তি এবং মহাকাশে ডাটা সেন্টার প্রতিষ্ঠার মতো উচ্চাভিলাষী লক্ষ্য নিয়ে কাজ করে যাচ্ছেন ইলন মাস্ক।
সূত্র: বিবিসি
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন