প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
সরকার বৈদ্যুতিক যান (ফুল ইলেকট্রিক ভেহিকেল-এফইভি) সরকারি প্রতিষ্ঠান ও রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন কোম্পানির গাড়ি কেনায় অন্তর্ভুক্ত করেছে। অর্থ বিভাগ এসব গাড়ির স্পেসিফিকেশন ও বাজারদর বিবেচনায় সর্বোচ্চ মূল্যসীমা নির্ধারণ করেছে। এর ফলে সরকারি গাড়ি কেনায় জ্বালানিনির্ভরতার পাশাপাশি পরিবেশবান্ধব বৈদ্যুতিক যান ব্যবহারের সুযোগ বৃদ্ধি পাবে।
অর্থ বিভাগের ব্যয় ব্যবস্থাপনা-৪ শাখার ১৬ সেপ্টেম্বরের একটি চিঠিতে এ মূল্যসীমা জানানো হয়েছে। চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, বিভিন্ন সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত, রাষ্ট্রায়ত্ত ও সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান এবং রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন কোম্পানি ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের জন্য নির্ধারিত স্পেসিফিকেশনের এফইভি কেনার ক্ষেত্রে নির্ধারিত দাম অনুসরণ করতে হবে।
নির্ধারিত তালিকায় সাধারণ কারের সর্বোচ্চ মূল্য ৫০ লাখ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এতে মোটর পাওয়ার কমপক্ষে ৯৫ কিলোওয়াট, ব্যাটারি সক্ষমতা ৬০ কিলোওয়াট/ঘণ্টা এবং একবার চার্জে কমপক্ষে ৪০০ কিলোমিটার চলার সক্ষমতা থাকতে হবে। এছাড়া, ব্যাটারির ওয়ারেন্টি কমপক্ষে আট বছর নির্ধারণ করা হয়েছে।
গ্রেড-৩ ও তদনিু কর্মকর্তাদের জন্য বৈদ্যুতিক জিপের সর্বোচ্চ দাম ৫৫ লাখ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। অন্যদিকে, গ্রেড-২ ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের জন্য জিপের মূল্যসীমা ৭৫ লাখ টাকা। বিআরটিএর বিধান অনুযায়ী বৈদ্যুতিক মোটরযানের জন্য আলাদা শনাক্তকরণ ও কিলোওয়াটভিত্তিক নিবন্ধনের ব্যবস্থা রয়েছে।
অর্থ বিভাগের চিঠিতে বলা হয়েছে, অনুমোদিত মূল্যসীমা অতিক্রম না করে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানকে গাড়ি কেনার ক্ষেত্রে অর্থ বিভাগের নির্দেশনা অনুসরণ করতে হবে। এর ফলে সরকারি গাড়ি কেনায় ব্যয় নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি বিদ্যুৎচালিত পরিবহণ ব্যবহারের পরিধি বাড়ানোর নতুন সুযোগ সৃষ্টি হলো।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন