প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
দুই দলের মুখোমুখি লড়াইয়ের ইতিহাস আটলান্টার ম্যাচ ঘিরে বাড়তি উত্তাপ ছড়াচ্ছে। তবে, মার্ক গেয়ি নিজের দলের ওপর কোনো চাপ দেখতে পাচ্ছেন না। ইংল্যান্ডের ২৬ বছর বয়সী ডিফেন্ডার বলেছেন, আর্জেন্টিনা যেহেতু বর্তমান চ্যাম্পিয়ন, তাই চাপটা তাদেরই অবস্থান করছে।
বাংলাদেশ সময় ১৬ জুলাই দিবাগত রাত ১টায় বিশ্বকাপের সেমি-ফাইনালে মুখোমুখি হবে এই দুই দল। শিরোপা ধরে রাখার অভিযানে এসেছে আর্জেন্টিনা। ইংল্যান্ড তাদের ১৯৬৬ সালের সুখস্মৃতি পুনরাবৃত্তি করতে মুখিয়ে আছে।
ঘরের মাঠের সেই বিশ্বকাপের পর থেকে, বৈশ্বিক ফুটবলের সর্বোচ্চ আসরের ফাইনালে ইংল্যান্ড কখনোই ওঠতে পারেনি। ১৯৯০ ও ২০১৮ সালে তারা দুইবার সেমি-ফাইনাল পর্যন্ত এসেছে, কিন্তু দুবারই হতাশার শিকার হয়েছে। ২০১৮ সালে রাশিয়া বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডকে বিদায় জানাতে হয়েছিল ক্রোয়েশিয়াকে। সব মিলিয়ে, ৬০ বছর আগে অর্জিত সেই সাফল্যের পর, এবার তৃতীয়বারের জন্য তারা সেরা চারের লড়াইয়ে প্রবেশ করতে চলেছে।
আর্জেন্টিনার বিপক্ষে লড়াইয়ের কারণে ১৯৮৬ বিশ্বকাপে দিয়েগো মারাদোনার সেই বিখ্যাত (একই সাথে কুখ্যাত) ‘হ্যান্ড অব গোল’ থেকে শুরু করে, ১২ বছর পরে ডেভিড বেকহ্যামের লাল কার্ড পাওয়া নিয়েও অনেক বিতর্ক তৈরি হচ্ছে এই ম্যাচের চারপাশে।
এই দুই দলের মধ্যে লড়াইয়ে নাটকীয়তা ও বিতর্কের অভাব ছিল না কখনো। সুতরাং, এই ম্যাচেও উভয় দলের ওপর স্নায়ুর চাপ থাকবে। তবে গেয়ি মনে করেন, তাদের দলটির ওপর চাপটা তুলনামূলকভাবে কম।
তিনি বলেন, “আর্জেন্টিনার ওপর চাপ থাকবে, কারণ, তারা বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন।”
কোয়ার্টার-ফাইনালে নওরয়ের বিপক্ষে ২-১ গোলে জিততে ইংল্যান্ড যথেষ্ট ভুগতে হয়েছে। এই কারণে আর্জেন্টিনার বিপক্ষে ‘সেরা ম্যাচ’ খেলতে চান গেয়ি।
তিনি বলেন, “এটা জীবনের সেরা ম্যাচ। দেশের জন্য আপনি যা পারেন, সবই করতে হবে।”
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন