প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
মধ্যপ্রাচ্যে নিরাপত্তা ও স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য আঞ্চলিক সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং পারস্পরিক বিশ্বাস গঠনের গুরুত্ব তুলে ধরেছেন কাতারের প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ বিন আব্দুলরহমান বিন জসিম আল থানি। তিনি ইরান-যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যুদ্ধের মারাত্মক প্রভাবকে একটি ‘ভূমিকম্প’ (Earthquake) হিসেবে উল্লেখ করে সংঘাতের এই চক্র বন্ধ করার জন্য কঠোর হুঁশিয়ারি প্রদান করেছেন।
নিউ ইয়র্কে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশন উপলক্ষে আয়োজিত 'কাতারি ইকোনমিক ফোরাম'-এর বিশেষ অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখার সময় তিনি বলেন, “স্থায়ী নিরাপত্তা কখনো কোনো রাষ্ট্রকে অরক্ষিত রেখে অর্জিত হতে পারে না। মধ্যপ্রাচ্যে এমন একটি রূপরেখা (framework) প্রয়োজন, যেখানে প্রতিটি দেশের সার্বভৌমত্ব সুরক্ষিত থাকবে এবং কোনো দেশ অন্যের জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়াবে না।”
কাতারের প্রধানমন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন, যুদ্ধ ও সংঘাতের এই পরিস্থিতি আঞ্চলিক নিরাপত্তার পাশাপাশি বিশ্ব অর্থনীতি, জ্বালানি সরবরাহ এবং নৌপথ চলাচলের ওপর মারাত্মক প্রভাব ফেলেছে। যুদ্ধ পরিস্থিতি বিশ্বজুড়ে স্থিতিশীলতার ধারণাকেই চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন করেছে।
পরিস্থিতি মোকাবিলায় কাতারের অর্থনীতির সক্ষমতার কথা উল্লেখ করে শেখ মোহাম্মদ আগামী পাঁচ বছরে অভ্যন্তরীণ অবকাঠামো খাতে ৩৮ বিলিয়ন (৩,৮০০ কোটি) ডলারের বেশি বিনিয়োগের পরিকল্পনার ঘোষণা দেন। চলমান সংঘাতের প্রভাব সত্ত্বেও তিনি বলেন, কাতার তার অর্থনীতি ও নিরাপত্তার ভিত্তির ওপর অটল থেকে পুনরুদ্ধার করেছে।
এদিকে কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মাজেদ আল-আনসারি জানান, তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে পুনরায় আলোচনা শুরু করা এবং যুদ্ধ বিরতির জন্য মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কাতারের প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।
অধিবেশন চলাকালে এ সপ্তাহে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে যোগ দেওয়া উপসাগরীয় অঞ্চলের নেতারা মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন। মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংকট ও উত্তেজনা প্রশমনের বিষয়টি আলোচনা কেন্দ্রবিন্দুতে থাকবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন