প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
পোশাকশ্রমিকদের মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে পুরো দেশজুড়ে উত্তেজনা বিরাজ করছে। এই আন্দোলনের সার্বিক পরিস্থিতির ওপর ভারত গভীর নজর রাখছে বলে জানিয়েছেন দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল।
মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পাক্ষিক সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ অসন্তোষ ও সাম্প্রতিক ঘটনাবলি নিয়ে করা প্রশ্নের জবাবে তিনি এ মন্তব্য করেন।
ভারতীয় বার্তা সংস্থা এএনআই-এর একটি প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক বজায় রাখার বিষয়ে মন্ত্রণালয়ের অবস্থান স্পষ্ট করেন জয়সওয়াল।
তিনি বলেন, "আমরা বাংলাদেশের পরিস্থিতির ওপর নজর রাখছি। সেখানে নানা ঘটনাবলি ঘটছে এবং আমরা সেসব ঘটনার অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ করে যাচ্ছি। ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের ক্ষেত্রে আমরা একটি ইতিবাচক, ভবিষ্যৎমুখী ও গঠনমূলক সম্পর্কের অভিমুখে কাজ করতে চাই।"
বাংলাদেশে ন্যূনতম মজুরি ১২ হাজার ৫০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৩০ হাজার টাকা করার দাবিতে পোশাকশ্রমিকদের বিক্ষোভ মঙ্গলবার চতুর্থ দিনে প্রবাহিত হয়েছে। বিশেষ করে ঢাকার মিরপুর এলাকায় সকালে কিছু কারখানা আংশিক চালু হলে শ্রমিকরা রাস্তায় নেমে আসলে নতুন করে উত্তেজনা সৃষ্টি হয় এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ মোতায়েন করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে গঙ্গা পানি চুক্তিসহ দ্বিপক্ষীয় নদী ব্যবস্থাপনার বিষয়টি উঠে এলে রণধীর জয়সওয়াল জানান, আন্তঃসীমান্ত নদী সংক্রান্ত যেকোনও আলোচনা নির্ধারিত দ্বিপক্ষীয় কাঠামোর মাধ্যমে পরিচালিত হবে।
তিনি বলেন, "আমি আগেও বলেছি, ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে যৌথ নদী কমিশন রয়েছে। গঙ্গাসহ সব আন্তঃসীমান্ত নদীর বিষয়ে আলোচনার জন্য এটিই আনুষ্ঠানিক ও কাঠামোবদ্ধ মাধ্যম।"
এ ছাড়া ঢাকা ও নয়া দিল্লির মধ্যে আসন্ন উচ্চপর্যায়ের কূটনৈতিক যোগাযোগের বিষয়ে মুখপাত্র জানান, বাংলাদেশের নেতৃত্বের কাছে ভারতের পক্ষ থেকে একটি স্থায়ী আমন্ত্রণ রয়েছে।
জয়সওয়াল বলেন, "আমরা ইতোমধ্যে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে ভারত সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছি। এই বিষয়ে কোনও নতুন আপডেট থাকলে তা আপনাদের জানানো হবে।"
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন