প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
চাঁদপুরের মতলব দক্ষিণে বাইক চালানো শেখাতে গিয়ে সড়ক দুর্ঘটনায় মামার মৃত্যুর পর ভাগনি ইশাতও (১৪) মারা গেল। মঙ্গলবার (২ জুন) রাতে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আনতে গিয়ে ইশাত মারা যায়। ঘটনার আগে, বিকেলে মতলব সেতুর দক্ষিণ অংশের সড়কে দুর্ঘটনার কারণে মামা মো. ফজলে রাব্বি (২১) নিহত হন।
নিহত রাব্বি ছিল মতলব দক্ষিণ পৌর এলাকার বাইশপুর বেপারী বাড়ির মিজানুর রহমানের ছেলে। তিনি মতলব সরকারি ডিগ্রি কলেজের স্নাতক শ্রেণির একজন শিক্ষার্থী ছিলেন। ইশাত উনার আপন ভাগনি, সে দশম শ্রেণির একজন শিক্ষার্থী। ইশাতের বাবার নাম মো. জুয়েল এবং তারা ঢাকার যাত্রাবাড়ীতে থাকেন। ইশাতের বাবা রাজধানী ঢাকায় সচিবালয়ের গাড়িচালক। ঈদ উপলক্ষ্যে মায়ের সাথে মতলব দক্ষিণে নানা বাড়িতে বেড়াতে গিয়েছিল ইশাত, এমনটি জানান স্বজনরা।
প্রত্যক্ষদর্শী হিসেবে চাঁদপুরের মো. জসিম নামে একজন অ্যাম্বুলেন্সচালক বলেছেন, ‘বাইক চালানো শেখাতে গিয়ে গতি নিয়ন্ত্রণ করতে না পেরে মতলব ব্রিজের দক্ষিণ অংশে সড়ক বিভাগের মেরামত কাজে ব্যবহৃত ট্রাকের সঙ্গে ধাক্কা লেগে দুর্ঘটনার শিকার হন ওই দুজন।’ তিনি জানান, সেখান থেকে তাদের উদ্ধার করে চাঁদপুর ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।
এ বিষয়ে চাঁদপুর ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক এনামুল হক বলেন, ‘রাব্বি নামে এক যুবককে হাসপাতালে আনা হয়। তবে এখানে আসার আগেই তার মৃত্যু হয়েছে। আর গুরুতর আহত মেয়েটিকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ঢাকা মেডিকেলে পাঠানো হয়েছে।’
মতলব দক্ষিণ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাফিজুর রহমান এই ঘটনার বিষয়ে বলেন, ‘ঘটনাস্থল থেকে মোটরসাইকেলটি উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।’
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন