প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
বহুল ব্যবহৃত পিএইচপি প্রোগ্রামিং ভাষায় একটি বড় ধরনের নিরাপত্তা ত্রুটি শনাক্ত হওয়ার পর বুধবার (২১ অক্টোবর) ইউরোপসহ বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে বহু ওয়েবসাইট বন্ধ রাখা হয়। এ তথ্যটি রয়টার্সের একটি প্রতিবেদনে প্রকাশিত হয়েছে।
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহার করে সফটওয়্যারে দীর্ঘদিন ধরে লুকিয়ে থাকা এই ত্রুটিগুলো শনাক্ত হওয়ার পর সেগুলো কাজে লাগিয়ে সাইবার হামলার আশঙ্কা সৃষ্টি হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে ওয়েবসাইট পরিচালনাকারীরা নিজেদের ব্যবস্থা সুরক্ষিত করতে তৎপর হয়ে ওঠেন।
নিরাপত্তা ত্রুটিগুলো সংশোধনের জন্য বুধবার জরুরি হালনাগাদ সংস্করণ প্রকাশ করেন পিএইচপির ডেভেলপাররা। একই সঙ্গে ব্যবহারকারীদের দ্রুত সফটওয়্যার হালনাগাদ করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
ডেভেলপাররা জানিয়েছেন, এআই ব্যবহার করে ত্রুটিগুলো শনাক্ত করার আগে সেগুলো বছরের পর বছর অজানাই ছিল। সব ব্যবহারকারীকে অবিলম্বে সফটওয়্যার হালনাগাদ করার জন্য তারা পরামর্শ দিয়েছেন।
প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলো সতর্ক করে বলেছে, কিছু হ্যাকার ইতোমধ্যে এসব ত্রুটি কাজে লাগিয়ে হামলা চালাচ্ছে।
এই পরিস্থিতিতে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে ইউরোপের বিভিন্ন সরকারি সংস্থা তাদের ওয়েবসাইট বন্ধ করে দেয়।
সাইবার নিরাপত্তা গবেষণা ও সাইবার হামলার ঘটনা মোকাবেলায় কাজ করা প্রতিষ্ঠান ‘টিএলপি:ব্ল্যাকের’ সহপ্রতিষ্ঠাতা কস্টিন রাইউ বলেন, এআই বর্তমানে নিরাপত্তা ত্রুটি কাজে লাগানোর প্রতিযোগিতাকে ত্বরান্বিত করছে।
তিনি আরও বলেন, এর পরের ধাপে ইন্টারনেটে থাকা প্রতিটি ঝুঁকিপূর্ণ ওয়েব সার্ভার ব্যাপকভাবে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
গত শতাব্দীর নব্বইয়ের দশকের শুরুর দিকে যাত্রা শুরু করা পিএইচপির নাম প্রথমে ছিল ‘পার্সোনাল হোম পেজ’। বর্তমানে এর পূর্ণরূপ ‘হাইপারটেক্সট প্রিপ্রসেসর’।
ইন্টারনেটের বড় একটি অংশের ওয়েবসাইট পরিচালনায় এই ভাষা ব্যবহৃত হয়। ওয়ার্ডপ্রেস, ড্রুপাল, জুমলা ও ম্যাজেন্টার মতো ওয়েবসাইট তৈরির ব্যবস্থাতেও এটি যুক্ত রয়েছে। ফলে এ ভাষায় কোনো গুরুতর নিরাপত্তা ত্রুটি দেখা দিলে তার প্রভাব ব্যাপক হতে পারে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন