প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
জ্বালানি খাতে বাংলাদেশকে সব ধরনের সহযোগিতা করার আশ্বাস প্রদান করেছে সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই)। বাংলাদেশে নিযুক্ত সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাষ্ট্রদূত আব্দুল্লাহ আলী আল-হামুদী আজ জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিতের সাথে সাক্ষাৎকালে এই আশ্বাস দিয়েছেন।
বৈঠকের সময় উভয় দেশের পারস্পরিক স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলাপ-আলোচনা হয়।
বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী উল্লেখ করেন, সংযুক্ত আরব আমিরাত ঐতিহাসিকভাবেই বাংলাদেশের অপরিশোধিত তেল এবং পেট্রোলিয়াম পণ্যের অন্যতম প্রধান ও নির্ভরযোগ্য উৎস হয়ে রয়েছে। তিনি রাষ্ট্রদূতের কাছে পুনর্ব্যক্ত করেছেন যে, বিশ্ববাজারে জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধি বা আকস্মিক ধাক্কা থেকে নিজেদেরকে সামলে নিতে বাংলাদেশ 'বাংলাদেশ ফার্স্ট' নীতি কাঠামোর আওতায় আনার উপর গুরুত্বারোপ করেছে।
এছাড়া, তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের (এলএনজি) বাণিজ্যের সম্প্রসারণ, স্পট মার্কেটের অস্থিরতা এড়ানো, বাংলাদেশের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি গ্রিড আধুনিকীকরণ, কার্বন নির্গমন হ্রাস, স্বয়ংক্রিয় সাব-স্টেশন এবং বন্দরের কাছাকাছি জ্বালানি বাঙ্কানিং সুবিধা তৈরিতে সহযোগিতা করার বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী রাষ্ট্রদূতকে অবহিত করেছেন।
বিশেষ করে, সংযুক্ত আরব আমিরাত সেভাবে গ্রিন হাইড্রোজেন উৎপাদনের জন্য একটি কেন্দ্র তৈরি করছে, তেমনিভাবে বাংলাদেশ সরকার সার কারখানা এবং ভারী ইস্পাত শিল্পকে প্রাকৃতিক গ্যাস থেকে গ্রিন হাইড্রোজেন বা গ্রিন অ্যামোনিয়াতে রূপান্তর করার জন্য সহযোগিতা প্রদানের বিষয়টি তুলে ধরেছেন।
রাষ্ট্রদূত আব্দুল্লাহ আলী আল-হামুদী বাংলাদেশের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের উন্নয়ন ও সম্প্রসারণে যুক্তরাষ্ট্র সরকারের আগ্রহ এবং সব ধরনের সহযোগিতা প্রদানের বিষয়ে আশ্বাস দেন।
তিনি দুই দেশের এই ঐতিহাসিক অংশীদারিত্বকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
সাক্ষাৎকালে আরো উপস্থিত ছিলেন জ্বালানি সচিব মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম, বিদ্যুৎ সচিব মিরানা মাহরুখ এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের দূতাবাসের কর্মকর্তা আলতাপ হোসেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন