প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
বাংলাদেশে জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনারের দপ্তরের (ওএইচসিএইচআর) নবনিযুক্ত মিশনপ্রধান সাবিনে ম্যাগডালেনা লাউবার পরিচয়পত্র পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবিরের কাছে পেশ করেছেন। রবিবার (৮ নভেম্বর) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে তাদের মধ্যে সাক্ষাৎকালে তিনি পরিচয়পত্র পেশ করেন। এ সময় পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী সাবিনে লাউবারকে স্বাগত জানান এবং নতুন দায়িত্ব গ্রহণের জন্য অভিনন্দন জানান। তিনি বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে ওএইচসিএইচআরের সঙ্গে গঠনমূলকভাবে কাজ করার বিষয়ে প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন।
বৈঠকে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী উল্লেখ করেন, গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করা, সুশাসন প্রতিষ্ঠা, আইনের শাসন নিশ্চিত করা এবং মতপ্রকাশ ও সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা সুরক্ষা সরকারের অগ্রাধিকার। তিনি আইনগত ও প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কারের মাধ্যমে শক্তিশালী রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
এছাড়া, জাতিসংঘের বিশেষ পদ্ধতির ম্যান্ডেটধারীদের সঙ্গে বাংলাদেশের চলমান সম্পৃক্ততা নিয়ে আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় মিয়ানমারের মানবাধিকার পরিস্থিতি বিষয়ক বিশেষ র্যাপোর্টিয়ার এবং শিক্ষার অধিকার বিষয়ক বিশেষ র্যাপোর্টিয়ারের সম্ভাব্য বাংলাদেশ সফর নিয়েও মতবিনিময় করেন তারা।
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী সাবিনে লাউবারকে বাংলাদেশের সরকারের অগ্রাধিকারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে কর্মসূচি ও কার্যক্রম পরিচালনার আহ্বান জানান। তিনি সাবিনে লাউবারকে বাংলাদেশে দায়িত্ব পালনে সরকারের পক্ষ থেকে পূর্ণ সহযোগিতা ও সমর্থনের আশ্বাস প্রদান করেন।
জবাবে সাবিনে লাউবার সরকারের গঠনমূলক সম্পৃক্ততার প্রশংসা করেন। তিনি মানবাধিকার সুরক্ষা ও প্রসার এবং সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে শক্তিশালী করার ক্ষেত্রে বাংলাদেশের প্রচেষ্টায় সহযোগিতা অব্যাহত রাখার প্রস্তুতির কথা জানান। একই সঙ্গে বাংলাদেশে দায়িত্ব পালনকালে তার অগ্রাধিকার ও পরিকল্পিত কার্যক্রম তুলে ধরেন। এ ক্ষেত্রে সরকারের সঙ্গে নিয়মিত সংলাপ ও সহযোগিতার গুরুত্বের ওপর তিনি জোর দেন।
উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের জুলাইয়ে বাংলাদেশ সরকার ও ওএইচসিএইচআরের মধ্যে তিন বছর মেয়াদি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের মাধ্যমে বাংলাদেশে সংস্থাটির মিশন প্রতিষ্ঠিত হয়। সাবিনে ম্যাগডালেনা লাউবার এই মিশনের প্রথম প্রধান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করছেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন