প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
রিয়াল মাদ্রিদ গোল হজম করে কিছুটা দুর্ভাগ্য ও রক্ষণভাগের ভুলের কারণে। তবে বিরতির পর রিয়াল সোসিয়েদাদ ম্যাচে আর তেমন প্রতিদ্বন্দ্বিতা গড়ে তুলতে পারেনি। কিলিয়ান এমবাপের অসাধারণ হ্যাটট্রিকের ফলে হোসে মরিনহোর দল শেষ পর্যন্ত বড় ব্যবধানে জয় লাভ করে।
সান্তিয়াগো বের্নাবেউয়ে বুধবার অনুষ্ঠিত ম্যাচটি ৪-১ গোলে জয়লাভ করে স্বাগতিকরা। তাদের আরেক গোলদাতা ছিলেন ভিনিসিউস জুনিয়র।
মৌসুমের প্রথম ম্যাচে রিয়ালের মাঠে ছোট ছোট পাসের মাধ্যমে আক্রমণ শুরু করে সোসিয়েদাদ। প্রথম উল্লেখযোগ্য সুযোগটি আসে একাদশ মিনিটে, যখন সতীর্থের পাস ডি-বক্সে ফাঁকায় পেয়ে যান মিকেল ওইয়ারসাবাল। স্পেনের এবারের বিশ্বকাপ জয়ী তারকা দারুণ শট নেন, কিন্তু তিবো কোর্তোয়া পা দিয়ে সেটি আটকে দেন।
১০ মিনিট পর রিয়াল এগিয়ে যেতে পারতো। এমবাপের পাস ডি-বক্সে একদম ফাঁকায় পেয়ে যান ভিনিসিউস, সামনে একমাত্র বাধা ছিলেন গোলরক্ষক। তবে ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ডের শট পা দিয়ে রুখে দেন গোলরক্ষক আলেক্স রেমিরো।
৩৫তম মিনিটে আবারও ভীতি ছড়ায় সোসিয়েদাদ। ডান দিক থেকে ওইয়ারসাবালের বাড়ানো ক্রস ডি-বক্সে বাঁ দিকে পেয়ে জোরাল ভলি করেন সের্হিও গোমেস, কিন্তু বল দূরের পোস্ট ঘেঁষে বেরিয়ে যায়।
এর পাঁচ মিনিট পর এমবাপের নৈপুণ্যে এগিয়ে যায় রিয়াল। ফেদে ভালভের্দের দারুণ এক পাস ডি-বক্সে অসাধারণ এক ছোঁয়ায় নিয়ন্ত্রণে নিয়ে, প্রতিপক্ষের একজনের বাধা এড়িয়ে নিখুঁত শটে বল জালে পাঠান তিনি।
তাদের এগিয়ে যাওয়ার আনন্দ কিন্তু চার মিনিটও স্থায়ী হয়নি। ডি-বক্সে ওচিয়েংয়ের দুর্বল শট এক স্বাগতিক ডিফেন্ডারের পায়ে লেগে অন্যপাশে চলে যায়, বিনা বাধায় ছুটে এসে অনায়াসে কোনাকুনি শটে কোর্তোয়াকে পরাস্ত করেন ক্রোয়াট মিডফিল্ডার সুচিচ।
বিরতির পর আক্রমণে জোর দেয় রিয়াল এবং ৬০তম মিনিটে আবার এগিয়ে যায় তারা। বেলিংহ্যামের সঙ্গে একবার বল দেওয়া-নেওয়ার মাঝে জায়গা বানিয়ে কোনাকুনি শটে গোলরক্ষককে পরাস্ত করেন এমবাপে।
আট মিনিট পর ভিনিসিউসের গোলে জয়ের পথে এগিয়ে যায় রিয়াল। গোলটিতে মূল কৃতিত্ব অবশ্য বেলিংহ্যামের। সফরকারী দল নিজেদের সীমানায় পজেশন হারানোর পর, সতীর্থের পাস ডি-বক্সের মুখে পেয়ে দুইজনের মধ্যে দিয়ে ভেতরে ঢুকে শট নেন বেলিংহ্যাম। প্রতিপক্ষের একজনের পায়ে সেটি প্রতিহত হয়, তবে থামেননি ইংলিশ তারকা। বল কেড়ে নিয়ে বাইলাইন থেকে গোলমুখে পাস বাড়ান তিনি, আর বিনা বাধায় টোকায় বল জালে জড়ান ভিনিসিউস।
৮০তম মিনিটে হ্যাটট্রিক পূরণ করেন এমবাপে। প্রতিপক্ষের একজনের দুই পায়ের ফাঁক দিয়ে থ্রু বল বাড়ান ভিনিসিউস, আর ছয় গজ বক্সের ঠিক বাইরে থেকে শটে গোলরক্ষককে পরাস্ত করেন ফরাসি তারকা।
আর্দা গিলেরের বদলি নেমে নির্ধারিত সময়ের শেষ মিনিটে জালে বল জড়ান ব্রাহিম দিয়াস। তবে ভিএআরের সাহায্যে রেফারি অফসাইডের বাঁশি বাজালে ব্যবধান আর বাড়েনি।
টানা দুই জয়ে ৬ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে অবস্থান করছে রিয়াল মাদ্রিদ। সমান পয়েন্ট নিয়ে পরের দুটি স্থানে রয়েছে সেভিয়া ও রিয়াল বেতিস।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন