প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
পুশ-ইন ও অবৈধ অনুপ্রবেশ প্রতিরোধের লক্ষ্যে জেলার বিভিন্ন সীমান্তে নজরদারি এবং আভিযানিক কার্যক্রমকে আরও জোরদার করেছে নীলফামারী বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (৫৬ বিজিবি) ব্যাটালিয়ন।
এ কার্যক্রমের অংশ হিসেবে সীমান্তের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ও ঝুঁকিপূর্ণ পয়েন্টে অতিরিক্ত টহল বৃদ্ধি, গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো এবং স্থানীয় জনগণকে সম্পৃক্ত করে সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। গতকাল বুধবার (৩ জুন) দিবাগত রাতে নীলফামারী ব্যাটালিয়ন (৫৬ বিজিবি) থেকে প্রকাশিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয় যে, সীমান্ত এলাকায় সার্বক্ষণিক নজরদারি ও টহল কার্যক্রম আরও জোরদার করা হয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ ও ঝুঁকিপূর্ণ সীমান্ত পয়েন্টগুলোতে অতিরিক্ত টহল পরিচালনার পাশাপাশি প্রয়োজন অনুযায়ী বিশেষ টহলও পরিচালনা করা হচ্ছে।
এছাড়া, সীমান্তবর্তী গ্রামগুলোতে নিয়মিত মাইকিংয়ের মাধ্যমে স্থানীয় জনগণকে পুশ-ইন প্রতিরোধ সম্পর্কে সচেতন করা হচ্ছে। সন্দেহজনক কোনো ব্যক্তির বা কার্যকলাপ দেখা গেলে তাৎক্ষণিকভাবে নিকটস্থ বিজিবি ক্যাম্প বা বিওপিকে অবহিত করার আহ্বান জানানো হয়েছে।
রাতের বেলায় সীমান্ত এলাকায় নিবিড় নজরদারির জন্য হ্যান্ডমাইক, বাঁশি, টর্চলাইট, সার্চলাইট এবং নাইট ভিশন গগলসসহ বিভিন্ন পর্যবেক্ষণ সরঞ্জাম ব্যবহৃত হচ্ছে বলেও জানানো হয়েছে।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়, সীমান্তবর্তী এলাকার জনপ্রতিনিধি, গণ্যমান্য ব্যক্তি ও স্থানীয় জনগণের অংশগ্রহণে জনসচেতনতামূলক সভা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। একই সঙ্গে সন্দেহভাজন ব্যক্তি ও অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের গতিবিধির ওপর গোয়েন্দা নজরদারি বাড়িয়ে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।
বিজিবির নেতৃত্বে স্থানীয় চেয়ারম্যান, মেম্বার, গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং সাধারণ জনগণকে নিয়ে সীমান্তবর্তী এলাকায় এই টহল কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।
নীলফামারী ৫৬ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল সিরাজুল ইসলাম জানান, দেশের সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং যে কোনো ধরনের অবৈধ অনুপ্রবেশ প্রতিরোধে তাদের এ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন