প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
লাইমলাইটের তীব্র আলো থেকে কিছুটা দূরে ছায়ার আস্তরণে ঢেকে গিয়েছিলেন তিনি। সংসার, সন্তান এবং মাতৃত্বের মধুর ভালোবাসায় নিজের যত্ন নেওয়ার বিষয়টি হয়তো সময়ের ভিড়ে হারিয়ে গিয়েছিল।
সেই চেনা রূপের আড়ালে জমছিল বাড়তি মেদের ভারী আস্তরণ। একসময়ের ছিপছিপে গ্ল্যামার কন্যা আনিকা কবির শখের ওজন গিয়ে ঠেকেছিল সত্তর কেজিতে। যদিও আশি কেজি থেকে সত্তর পর্যন্ত নামলেও, থমকে গিয়েছিল মেদ ঝরানোর সেই দূরূহ লড়াই। ফিটনেসের উৎসাহ জাগলেও বারবার তা ফিকে হয়ে যেত জিমের যান্ত্রিক রুটিনে।
তবে নিয়তির একটি ছোট্ট বার্তা যেন হুট করেই বদলে দিল সব চিত্রনাট্য। চিকিৎসক যখন জানালেন লিভারে জমেছে মেদ, তখনি শখের ভেতর জেগে উঠল এক নতুন জেদ। এবার লড়াইটা আর কেবল পর্দার সামনে সুন্দর দেখানোর বিষয় ছিল না, লড়াইটা ছিল নিজের সুস্থতার সঙ্গে বেঁচে থাকার।
প্রিয় খাবারের টানে নিজেকে ভাসিয়ে দেওয়ার সেই পুরোনো অভ্যাসকে এক ঝটকায় বিদায় জানালেন তিনি। যে শখ একসময় গরুর মাংসের স্বাদে মাতোয়ারা হতেন, এবারের কোরবানির ঈদে তার থালায় ঠাঁই পেয়েছিল মাত্র দু-টুকরো মাংস। আলু এবং বাইরের চর্বিজাতীয় মুখরোচক খাবারকে জীবন থেকে বিদায় দিয়ে তার পাতে জায়গা করে নিল সবুজ সবজি, ডিম এবং মুরগির মাংস।
টানা সাত মাসের একনিষ্ঠ সাধনা এবং নিয়মের কঠোর শৃঙ্খলে ঘাম ঝরিয়ে নিজেকে যেন নতুন করে আবিষ্কার করলেন শখ। সত্তর কেজি থেকে ঝরে পড়ে ওজন গিয়ে দাঁড়াল একবারে চমৎকার ৫৫ কেজিতে।
দীর্ঘ সময় পর গত শুক্রবার এক জমকালো ফ্যাশন শোতে যখন তিনি হেঁটে গেলেন, সেখানে উপস্থিত সবাই এই বদলে যাওয়া রূপসী শখকে দেখে যেন চমকে উঠলেন। মাতৃত্বের চার বছর পেরিয়ে সাড়ে চার বছরের সন্তানের চঞ্চলতার মাঝেই শখ এখন সম্পূর্ণ প্রস্তুত রূপালী পর্দায় নিজের চিরচেনা রাজত্ব ফিরে পেতে।
সিনেমা এবং নাটকের প্রস্তাব ইতোমধ্যেই জমা হতে শুরু করেছে তার আঙিনায়। নিজের পুরোনো জাদুকরী রূপ এবং অদম্য প্রাণশক্তি নিয়ে গ্ল্যামারের রাজপথে ফের এক নতুন গল্পের জন্ম দিতে যাচ্ছেন তিনি।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন