প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ময়মনসিংহের ভালুকা এলাকায় পৃথক স্থান থেকে চারটি মরদেহ উদ্ধার করেছে ভালুকা মডেল থানার পুলিশ। বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) উপজেলার খারুয়ালী ও উথুরা ইউনিয়নের বনগাঁও গ্রাম থেকে এসব মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহতদের মধ্যে দুইজন বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মারা গেছেন এবং অপর দুইজন গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বিকেলের দিকে উপজেলার উথুরা ইউনিয়নের বনগাঁও গ্রামের দুটি পৃথক স্থানে দুই ব্যক্তির ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। নিহতদের মধ্যে রয়েছেন বনগাঁও গ্রামের ওয়াহেদ আলীর ছেলে হাফেজ আলী (৬০) এবং মাহতাব আলীর ছেলে ছফির আলী (৩৮)।
স্থানীয় সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, ওই দিন সকালে কয়েকজন শিশু মাদরাসায় যাওয়ার সময় মাহতাব আলীর বাড়ির পাশের বাঁশঝাড়ে ছফির আলীর ঝুলন্ত লাশ দেখতে পায়। পরে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তার মরদেহ উদ্ধার করে।
অন্যদিকে, একই দিন সকালে পরিবারের সদস্যরা বসতঘরের আড়ার সঙ্গে হাফেজ আলীর ঝুলন্ত লাশ দেখতে পান। এরপর তারা পুলিশকে খবর দেন। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তার মরদেহ উদ্ধার করে।
এর আগে, বুধবার সকালে খারুয়ালী গ্রামে মাঠে গরুর ঘাস কাটতে গিয়ে একটি পল্লী বিদ্যুতের সচল লাইনের তারে অসাবধানতাবশত জড়িয়ে পড়েন ধনু আকন্দ (৬০)। দূর থেকে ভাইকে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হতে দেখে তাকে বাঁচাতে দ্রুত এগিয়ে আসেন তার আপন চাচাতো ভাই শাহাবুদ্দিন আকন্দ (৬৫)। কিন্তু উদ্ধার করতে গিয়ে তিনিও বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন। ফলে ঘটনাস্থলেই দুই ভাইয়ের মর্মান্তিক মৃত্যু ঘটে। নিহত ধনু আকন্দ ওই গ্রামের মজিদ আকন্দের ছেলে এবং শাহাবুদ্দিন আকন্দ আব্দুল আজিজ আকন্দের ছেলে।
ভালুকা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম জানান, খবর পেয়ে পৃথক ঘটনাস্থল থেকে নিহতদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। খারুয়ালী এলাকায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে নিহত দুইজনের পরিবারের আবেদনের প্রেক্ষিতে বিনা ময়নাতদন্তে লাশ দাফনের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।
অন্যদিকে, উদ্ধারকৃত অপর দুইজনের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে এই মরদেহগুলোও পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন