প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
২০২০ সালের নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনবিরোধী আন্দোলনে অংশগ্রহণের কারণে উত্তর-পূর্ব দিল্লির দাঙ্গার বৃহত্তর ষড়যন্ত্রের মামলায় কারাগারে বন্দী শারজিল ইমাম সাত দিনের অন্তর্বর্তী জামিনে তিহার কারাগার থেকে মুক্তি পেয়েছেন। এই সাময়িক জামিন দিল্লির একটি আদালত প্রদান করেছে।
রোববার (৪ অক্টোবর) থেকে শুরু হয়ে আগামী ১০ অক্টোবর পর্যন্ত তার জামিন কার্যকর থাকবে। তার দুই চাচাতো ভাইয়ের বিয়েতে অংশগ্রহণ করার জন্য এই জামিন প্রদান করা হয়েছে, যা দিল্লি ও বিহারে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।
কারকারদুমা আদালত নির্দেশ দিয়েছেন যে, শারজিলকে ১০ অক্টোবর সন্ধ্যায় আবার কারা কর্তৃপক্ষের কাছে আত্মসমর্পণ করতে হবে। জামিনের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তাকে পুনরায় কারাগারে ফিরতে হবে।
২০২০ সালের ফেব্রুয়ারিতে উত্তর-পূর্ব দিল্লিতে সংঘটিত সহিংসতার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় শারজিলের বিরুদ্ধে বেআইনি কার্যকলাপ প্রতিরোধ আইনসহ একাধিক ধারায় মামলা চলছে। ২০২০ সালের জানুয়ারিতে গ্রেপ্তারের পর থেকে তিনি আইনি প্রক্রিয়ার সময় কারাগারে রয়েছেন।
এর আগে, ৩০ সেপ্টেম্বর দিল্লি হাইকোর্ট একই মামলায় শারজিল ইমামের নিয়মিত জামিনের আবেদন খারিজ করে দেন। একই সঙ্গে মামলার অপর আসামী উমর খালিদের নিয়মিত জামিনের আবেদনও নাকচ করা হয়।
সুতরাং, সাত দিনের এই অন্তর্বর্তী জামিন শারজিলের জন্য সাময়িক স্বস্তি প্রদান করলেও মামলার আইনি কার্যক্রম চলমান থাকবে। ১০ অক্টোবর জামিনের মেয়াদ শেষ হলে তাকে আবার তিহার কারাগারে ফিরে যেতে হবে।
উল্লেখ্য, শারজিল ইমাম একজন শিক্ষার্থী এবং ছাত্র আন্দোলনকারী। নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনের বিরোধিতায় তিনি সক্রিয় ছিলেন। ২০১৯ সালের শেষের দিকে নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনবিরোধী আন্দোলনে তিনি সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন। বিশেষ করে ২০১৯ সালের ডিসেম্বর থেকে ২০২০ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত তিনি ওই আন্দোলনে সক্রিয় ছিলেন। ২০২০ সালের দিল্লি দাঙ্গার বৃহত্তর ষড়যন্ত্রের মামলাসহ বিভিন্ন মামলায় তার বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে। ২০২০ সালের জানুয়ারিতে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
সূত্র: মিল্লাত টাইমস
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন