প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
এক ব্যক্তি থানার ওসিকে কল করেন, নিজেকে পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) পরিচয় দিয়ে। কল রিসিভ করার পর উনি মামলার আসামি কেন ধরা হচ্ছে না, এমন প্রশ্ন তোলেন এবং ফোনের ওপার থেকে অসৌজন্যমূলক আচরণ করেন।
এমন একটি ঘটনা সম্প্রতি ময়মনসিংহের ধোবাউড়া উপজেলায় ঘটে। ইতোমধ্যে পুলিশ প্রযুক্তির সহায়তায় ওই ব্যক্তিকে শনাক্ত করেছে এবং ভ্রাম্যমাণ আদালতের ভিত্তিতে তার এক মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তি হলেন ধোবাউড়া উপজেলার বাঘবের ইউনিয়নের পূর্ব বহুলী গ্রামের বাসিন্দা মো. জহিরুল ইসলাম (৩২)। জহিরুল ইসলাম আগে একটি ওষুধ কোম্পানিতে চাকরি করলেও বর্তমানে তিনি কিছু করেন না।
ধোবাউড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুল ইসলাম জানান, কলারের কথাবার্তায় তার সন্দেহ তৈরি হয়। কারণ, যদি প্রয়োজন হয়, আইজিপি সরাসরি থানার ওসির কাছে যোগাযোগ করার পরিবর্তে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের মাধ্যমে যোগাযোগ করেন। বিষয়টি সন্দেহজনক মনে হওয়ায় তারা তাৎক্ষণিকভাবে প্রযুক্তির সহায়তায় কলারের পরিচয় ও অবস্থান শনাক্ত করেন। পরে বুধবার বেলা ১১টার দিকে একটি অভিযান চালিয়ে জহিরুল ইসলামকে আটক করা হয়।
সোমবার (২৭ জুলাই) বেলা ১১টার দিকে ধোবাউড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এবং নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. মোশারফ হোসাইন ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন। আদালত জহিরুল ইসলামকে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও এক হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেন।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. মোশারফ হোসাইন বলেন, আইজিপি পরিচয় দিয়ে ভয়ভীতি প্রদর্শন করা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ। অভিযুক্ত ব্যক্তি তার অপরাধ স্বীকার করায় প্রচলিত আইনে তাকে দণ্ড দেওয়া হয়েছে।
এদিকে অভিযুক্তের পরিবারের সদস্যদের বরাতে ওসি শফিকুল ইসলাম জানান, জহিরুল ইসলাম একটি ওষুধ কোম্পানিতে চাকরি করতেন। প্রায় দুই বছর আগে এক ব্যক্তিকে ছুরিকাঘাত করার কারণে এলাকাবাসী তাকে ধরে মারধর করে পুলিশে দিয়েছে। তখন থেকে তার আচরণ কিছু সময় এলোমেলো হয়ে পড়ে এবং কিছু সময় স্বাভাবিক থাকে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন