প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
মধ্যপ্রাচ্যে নতুন উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ার সম্ভাবনার মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএর পরিচালক জন র্যাটক্লিফ মিসরের প্রেসিডেন্ট আবদেল ফাত্তাহ আল-সিসির সঙ্গে বৈঠক করেছেন। এই বৈঠকটি রবিবার (২০ সেপ্টেম্বর) মিসরের রাজধানী কায়রোয় অনুষ্ঠিত হয়।
র্যাটক্লিফের এই বিরল সফরে মিসরের গোয়েন্দাপ্রধান হাসান রাশাদও উপস্থিত ছিলেন। তবে এই বৈঠকের উদ্দেশ্য কী ছিল, সে সম্পর্কে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে কোনো তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।
মিসরের প্রেসিডেন্টের কার্যালয় জানায়, বৈঠকে ইরান, গাজা ও সুদানের যুদ্ধ পরিস্থিতি, উপসাগরীয় দেশগুলোতে হামলা এবং সামুদ্রিক নিরাপত্তার হুমকি নিয়ে আলোচনা করা হয়।
বৈঠকে সিসি আঞ্চলিক সংকটগুলোর রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক সমাধানের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। বিবৃতিতে বলা হয়, সিসি আঞ্চলিক সংকট সমাধানে রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক পথ অনুসরণের গুরুত্ব তুলে ধরেছেন।
এর একদিন আগে, শনিবার, মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর মধ্যপ্রাচ্যে ভ্রমণের বিষয়ে মার্কিন নাগরিকদের সতর্ক করে। সৌদি আরব ও ইয়েমেনের হুতিদের মধ্যে চলমান সংঘাতের প্রেক্ষাপটে দপ্তরটি সতর্ক করে বলেছিল, এই সামরিক সংঘাত দ্রুত আরও বড় আকার ধারণ করতে পারে।
র্যাটক্লিফের কায়রো সফরের কয়েক দিন আগে সৌদি আরবের ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমান মিসর সফর করেন। সিসির সঙ্গে বৈঠকে তারা ইয়েমেনের হুথিদের আকস্মিক অভিযানে দেশটির উপকূলের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার পর বাব আল-মান্দেব প্রণালি দিয়ে নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন নৌ চলাচল নিশ্চিত করার ওপর জোর দেন।
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ মিত্র হিসেবে মিসরকে দেখা হয়। দেশটি যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক সহায়তার অন্যতম বড় গ্রহীতা। অস্থিতিশীল এই অঞ্চলে নিজেদের স্থিতিশীলতা আনার শক্তি হিসেবে কায়রোকে তুলে ধরা হয়। একই সঙ্গে ইসরাইল, হামাস ও ইরানসহ পরস্পরবিরোধী পক্ষগুলোর সঙ্গে যোগাযোগের পথও খোলা রেখেছে দেশটি।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন