প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন (ডিএনসিসি) এর আওতাধীন লেকপাড়ের ভাঙন প্রতিরোধের ব্যবস্থা গ্রহণ এবং ভবিষ্যতে বৃষ্টির পানি যাতে সড়কে জমে না থাকে, সে জন্য রাজউক, ওয়াসাসহ সংশ্লিষ্ট সব সংস্থাকে নিয়ে সমন্বিতভাবে কাজ করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন ডিএনসিসি প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান।
রাজধানীর গুলশান-২-এর ১০৪ নম্বর সড়কে মানারাত বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে লেকপাড়ের ভাঙন এবং বৃষ্টির ফলে সৃষ্ট জলাবদ্ধতা পরিদর্শন শেষে আজ সোমবার তিনি সাংবাদিকদের সঙ্গে এই বক্তব্য উল্লেখ করেন।
প্রশাসক আরও বলেন, নগরবাসী যদি সচেতন হয় এবং ড্রেনেজ ব্যবস্থা উন্নত করা হয়, তবেই ভবিষ্যতে রাজধানীর সড়কে বৃষ্টির পানি জমে থাকার সমস্যা অনেকাংশে দূর করা সম্ভব হবে। তিনি নগরবাসীকে আহ্বান জানান যে, যেখানে-সেখানে ময়লা-আবর্জনা না ফেলে ড্রেন পরিষ্কার রাখতে সহযোগিতা করা জরুরি।
এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের আওতাধীন দখল হয়ে যাওয়া খালগুলো পুনরুদ্ধার ছাড়া জলাবদ্ধতার স্থায়ী সমাধান সম্ভব নয়। তাই নগরকে বাসযোগ্য রাখার জন্য এবং দীর্ঘমেয়াদে জলাবদ্ধতা নিরসনে বেদখল খালগুলো দখলমুক্ত করা প্রয়োজন।
তিনি এ কাজে গণমাধ্যম ও নগরবাসীর সহযোগিতা কামনা করে বলেন, ইতোমধ্যে মুসলিম বাজার খালসহ কয়েকটি খাল ও ড্রেন পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করার ফলে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় মশার উপদ্রবও কমেছে।
প্রশাসক সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের দ্রুত সড়কে জমে থাকা পানি অপসারণ এবং ভবিষ্যতে যেন পানি না জমে, সে লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের নির্দেশনা দেন।
পরে, তিনি খিলক্ষেতের নামাপাড়া এলাকায় জলাবদ্ধতা নিরসনের জন্য পানি নিষ্কাশনের স্থান পরিদর্শন করেন এবং নির্দেশ দেন যে নামাপাড়া খাল সংস্কার করে পানি প্রবাহের উপযোগী করতে হবে।
এই পরিদর্শনে ডিএনসিসির প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা, প্রধান প্রকৌশলী, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা, প্রশাসকের একান্ত সহকারী ও স্থানীয় বিএনপির নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন