প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার মোসলেহ্ উদ্দিন আহমদ জানিয়েছেন, শহর থেকে ব্যাটারিচালিত রিকশা উঠিয়ে দেয়া ডিএমপির একার পক্ষে সম্ভব নয়।
মঙ্গলবার (৩০ জুন) রাজধানীর মোহাম্মদপুরের লেক রোডে এআই ক্যামেরা দ্বারা ট্রাফিক মামলা দায়ের ও যানবাহন মনিটরিং কার্যক্রমের উদ্বোধনের সময় তিনি এ মন্তব্য করেন।
ঢাকার রাস্তায় ব্যাটারিচালিত রিকশা ও ইজিবাইকের দাপটে ট্রাফিক ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে। এই বাহনগুলোর আইনগত কোনো ভিত্তি নেই। গঠন, নিবন্ধন, চলাচলযোগ্যতা—কোনো কিছুরই বালাই নেই।
রাজধানীতে ব্যাটারিচালিত রিকশা কতটা চলাচল করছে, তার সঠিক পরিসংখ্যান পাওয়া যাচ্ছে না, কারণ নিবন্ধনের বাধ্যবাধকতা নেই। ঢাকার বিভিন্ন সড়কে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই ক্যামেরা চালু হলেও রিকশাচালকেরা সেটিরও তোয়াক্কা করছেন না।
ডিএমপির একার হাতে ব্যাটারিচালিত রিকশা তুলে দেয়া সম্ভব নয় জানিয়ে কমিশনার বলেন, পুলিশ নিয়মিত অভিযান চালাচ্ছে এবং সমস্যা সমাধানে সমন্বিতভাবে কাজ করছে।
এদিকে, কদিন আগে সিগন্যালে গাড়ি থামাতে ট্রাফিক পুলিশের সদস্যদের অনেক ছোটাছুটি করতে হতো। এখন সেটি লাগছে না। ট্রাফিক আইন মানাতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই ক্যামেরা বসানোর পর থেকেই এটি সম্ভব হয়েছে।
ঢাকা শহরের ১৮টি মোড় বা ক্রসিংয়ে এই ক্যামেরা বসানো হয়েছে। ডিএমপি কমিশনার বলেছেন, চালুর পর এখন পর্যন্ত মামলা হয়েছে দেড় হাজার। সমন জারি করা হয়েছে ৩৮ হাজার।
ঢাকার বিভিন্ন মোড়ে ৭ মে থেকে পরীক্ষামূলকভাবে এআই প্রযুক্তির ব্যবহার শুরু করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশের ট্রাফিক বিভাগ। আইন লঙ্ঘন ঘটলে সেই গাড়িসমূহকে শনাক্ত করছে ক্যামেরা এবং সংশ্লিষ্ট গাড়ির মালিকের নামে ডিজিটালি মামলা করা হচ্ছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন