প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
‘মিটু’ অভিযোগের কারণে এক সময় ভারতজুড়ে উত্তাল পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছিল। প্রবীণ অভিনেতা নানা পাটেকরের বিরুদ্ধে শুটিংয়ের সময় অশালীন আচরণের অভিযোগ তুলে আলোড়ন সৃষ্টি করেছিলেন অভিনেত্রী তনুশ্রী দত্ত। গত বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) গোয়ায় নিজের বাসভবনে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে ৭৫ বছর বয়সে মারা যান নানা পাটেকর। তার মৃত্যুর পর তনুশ্রীর প্রতিক্রিয়া নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।
২০০৯ সালে ‘হর্ন ‘ওক’ প্লিজ়’ সিনেমার শুটিং সেটে যৌন হেনস্তা ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগে নানা পাটেকরের বিরুদ্ধে মুখ খুলে ভারতে ‘মিটু’ আন্দোলনের সূচনা করেছিলেন সাবেক মিস ইন্ডিয়া ইউনিভার্স তনুশ্রী দত্ত।
লখনৌয়ে একটি অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার পথে তনুশ্রী নানা পাটেকরের মৃত্যুর খবর পান। তিনি জানান, ঠিক সেই দিন সন্ধ্যায় তিনি একটি জনবহুল অনুষ্ঠানে যোগ দিতে যাচ্ছিলেন, এবং সেই অদ্ভুত দিনেই নানা পাটেকরের মৃত্যু ঘটেছে। তার মতে, সংবাদমাধ্যম এখন শুধু এই মৃত্যুর বিষয়ে তার মন্তব্য জানতে আগ্রহী হবে।
নানা পাটেকর সবসময় তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলো অস্বীকার করেছেন এবং তনুশ্রীকে আইনি নোটিশও পাঠিয়েছিলেন। ২০১৯ সালে পুলিশ যথেষ্ট প্রমাণের অভাবে নানা পাটেকরকে সমস্ত অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দেয়। তবে এই রায়ে তনুশ্রী সন্তুষ্ট ছিলেন না।
সংবাদমাধ্যমের সামনে এসে তনুশ্রী দত্ত দাবি করেন, নানা পাটেকর মামলাটি জোর করে বন্ধ করে দিয়েছিলেন এবং তিনি নির্দোষ প্রমাণিত হননি।
তনুশ্রীর বক্তব্য, ‘এমন নয় যে আমাদের কাছে পর্যাপ্ত প্রমাণ ছিল না। ঠিক যে দিন আমাদের প্রধান সাক্ষীর (যিনি আমার মেকআপ আর্টিস্ট ছিলেন) সাক্ষ্য আদালতে জমা দেওয়ার কথা ছিল, বিচারক সেদিনই মামলাটি বন্ধ করে দেন। তাকে রাজি করাতে আমাদের পাঁচ বছর সময় লেগেছিল। তিনি ও তার পরিবার নানাভাবে হুমকি পেতেন।’
এদিকে পুনেতে নানা পাটেকরের নিজ খামারবাড়িতে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় তার শেষকৃত্য সম্পন্ন হওয়ার আগেই তনুশ্রী দত্তের এসব মন্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তীব্র আলোচনার সৃষ্টি করেছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন