প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
বরিশাল শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. শহিদুল ইসলামকে প্রত্যাহার করার দাবি জানিয়ে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে স্থানীয় সাধারণ জনগণ ও ভুক্তভোগীদের দ্বারা।
মঙ্গলবার দুপুরে অনুষ্ঠিত এই মানববন্ধনে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে ঘুষ, দুর্নীতি, অনিয়ম, ভুয়া বিল উত্তোলন, টেন্ডারবাজি এবং ঠিকাদারদের হয়রানির মতো বিভিন্ন অভিযোগ তুলে দ্রুত তদন্তের দাবি জানানো হয়।
মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারীরা অভিযোগ করেন যে, শহিদুল ইসলাম পটুয়াখালীতে দায়িত্ব পালনকালে বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগের সম্মুখীন হন। বরিশাল শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পরও তার বিরুদ্ধে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ অব্যাহত রয়েছে।
অভিযোগকারীদের দাবি, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর বিভিন্ন সরকারি দপ্তরে পরিবর্তন আসলেও শহিদুল ইসলাম বরিশাল শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরে বহাল রয়েছেন।
যদিও তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময়ে গণমাধ্যমে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ প্রকাশিত হয়েছে, তবে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি। এই কারণে তিনি আরও বেপরোয়া হয়ে উঠেছেন।
এর আগে, বরিশাল শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. শহিদুল ইসলামের বিরুদ্ধে ঘুষ, দুর্নীতি, ভুয়া বিল উত্তোলন, টেন্ডারবাজি এবং ঠিকাদারদের হয়রানির অভিযোগ তুলে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিবের কাছে ২৪ জন ঠিকাদার লিখিত অভিযোগ প্রদান করেছিলেন।
লিখিত অভিযোগে ঠিকাদাররা উল্লেখ করেন যে, নির্বাহী প্রকৌশলীর চাহিদা অনুযায়ী নির্দিষ্ট হারে কমিশন প্রদান না করলে কাজ সম্পন্ন হলেও বিল পরিশোধে জটিলতা সৃষ্টি করা হয়।
এছাড়া, তার বিরুদ্ধে মাঠপর্যায়ে কাজের দৃশ্যমান অগ্রগতি না থাকার পরও কাগজে-কলমে অগ্রগতি দেখিয়ে বিলের কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়ার অভিযোগও রয়েছে।
বিক্ষুব্ধ ঠিকাদাররা আরও অভিযোগ করেন যে, কাজের জামানতের টাকা ফেরত পেতে অতিরিক্ত অর্থ দিতে হয়। নির্বাহী প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে কথা বললে বিল আটকে দেওয়ার কিংবা কাজের সাইটে বিভিন্ন ধরনের জটিলতা তৈরির আশঙ্কা থাকে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন