প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
দেশের চামড়াজাত শিল্প বর্তমানে দ্বিতীয় বৃহত্তম বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনকারী শিল্প হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। এই শিল্পকে এগিয়ে নিতে সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব প্রদান করছে, এমনটি জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর শিল্প ও রাজনৈতিক উপদেষ্টা এবং বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।
তিনি উল্লেখ করেন, দেশকে স্বনির্ভর এবং স্বয়ংসম্পূর্ণ করতে কুটির শিল্পের বিকল্প নেই।
বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) বিকালে রাজধানীর তেজগাঁওয়ে বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশনের (বিসিক) ভবনের নিচতলায় ‘বিসিক চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য মেলা-২০২৬’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব মন্তব্য করেন।
রিজভী বলেন, বাংলাদেশের চামড়া ও চামড়াজাত পণ্যের একটি দীর্ঘ ঐতিহ্য বিদ্যমান। বিশেষ করে দেশের ‘ব্ল্যাক বেঙ্গাল’ ছাগলের চামড়া আন্তর্জাতিকভাবে সমাদৃত। এই সম্পদকে কাজে লাগিয়ে উন্নত মানের জুতা ও অন্যান্য চামড়াজাত পণ্য উৎপাদন বৃদ্ধি করা সম্ভব।
তিনি এ সময় আরও বলেন, প্রতিবছর কুরবানি ঈদে যে চামড়া সংগ্রহ করা হয়, তা প্রক্রিয়াজাত করাতে হিমশিম খেতে হয়। আধুনিক যন্ত্রপাতি ব্যবহার করে জুতার কারখানা তৈরি করতে পারলে শতভাগ জুতা রপ্তানি করা সম্ভব হবে।
চামড়া শিল্পের বর্জ্য ব্যবস্থাপনার গুরুত্ব তুলে ধরে রিজভী বলেন, ট্যানারি থেকে নির্গত রাসায়নিক বর্জ্য নদী, খাল-বিল ও পরিবেশে যাতে না পড়ে, সে বিষয়ে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা প্রয়োজন। বর্জ্য থেকে রাসায়নিক আলাদা করে পানি পুনর্ব্যবহারের উদ্যোগ নেওয়া জরুরি।
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব আরও বলেন, সরকারের পলিসি এমন হওয়া উচিত যেখানে টেনারির আশেপাশে বসতি স্থাপন করা হবে না।
বিসিকের বিভিন্ন শিল্পনগরীর অব্যবহৃত জায়গা কাজে লাগানোর আহবান জানিয়ে তিনি বলেন, উদ্যোক্তাদের জন্য এসব এলাকায় নতুন কারখানা গড়ে তোলার সুযোগ তৈরি করতে হবে। এতে স্থানীয় অর্থনীতি শক্তিশালী হবে এবং কর্মসংস্থানও বৃদ্ধি পাবে।
পরে পাঁচ দিনব্যাপী এই মেলার স্টলগুলো ঘুরে ঘুরে দেখেন শিল্প মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী। মেলায় মোট ৪৯ স্টলের মধ্যে ৪৩টি চামড়া ও চামড়াজাত পণ্যের উদ্যোক্তা অংশগ্রহণ করেছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন