প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
তাইওয়ান, যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে অস্ত্র ও সামরিক সরঞ্জাম কেনার বিষয়ে নিয়মিত আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে। সম্প্রতি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং চীনা প্রেসিডেন্ট শি চিনপিংয়ের বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার পরেও তাইওয়ান নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের নীতিতে কোনো পরিবর্তন হয়নি বলে আশ্বস্ত করেছে তাইপে। মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) এই তথ্য জানিয়েছেন তাইওয়ানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ওয়েলিংটন কু।
কু জানান, চীনের চাপ সত্ত্বেও তাইওয়ানকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রের নীতিতে কোনো পরিবর্তনের ইঙ্গিত পাওয়া যায়নি। রয়টার্সের প্রতিবেদনের ভিত্তিতে, অস্ত্র কেনার বিভিন্ন বিষয় নিয়ে দুই দেশের মধ্যে নিয়মিত সমন্বয় ও যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে। যদিও আনুষ্ঠানিক কূটনৈতিক সম্পর্ক নেই, তবুও যুক্তরাষ্ট্র তাইওয়ানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক সমর্থক এবং প্রধান অস্ত্র সরবরাহকারী হিসেবে পরিচিত।
তবে, যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে পূর্বে অর্ডার করা কিছু সামরিক সরঞ্জামের সরবরাহে বিলম্ব ঘটছে। এর মধ্যে রয়েছে ২০১৯ সালে অর্ডার করা লকহিড মার্টিনের ৬৬টি উন্নত এফ-১৬ভি যুদ্ধবিমান। উৎপাদন ও সরবরাহের বিভিন্ন কারণে এসব যুদ্ধবিমানের সরবরাহ নির্ধারিত সময়ের চেয়ে পিছিয়ে গেছে। তাইওয়ানের গণমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, প্রথম দুটি এফ-১৬ভি যুদ্ধবিমান বর্তমানে হাওয়াইয়ে অবস্থান করছে। পূর্বে সেগুলো তাইওয়ানের উদ্দেশে যাত্রা করলেও পরে হাওয়াইয়ে ফিরে এসেছে। ফলে সরবরাহের সময়সূচি নিয়ে অনিশ্চয়তা সৃষ্টি হয়েছে।
প্রতিরক্ষামন্ত্রী কু জানিয়েছেন, সরবরাহে বিলম্বের কারণে প্রয়োজনীয় ক্ষতিপূরণমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে এবং দ্রুত অস্ত্র ও সামরিক সরঞ্জাম সরবরাহ নিশ্চিত করতে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যোগাযোগ অব্যাহত থাকবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন