প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
রাজশাহীর চারঘাট উপজেলার শলুয়া ইউনিয়নের চামটা গ্রামের বাসিন্দা মোঃ মুক্তার হোসেন, যিনি মুক্তা মেম্বার হিসেবে পরিচিত, তার বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে মাদক কারবার, অস্ত্র, ও সহিংসতাসহ বিভিন্ন অপরাধে জড়িত থাকার অভিযোগ নতুন করে সামনে এসেছে। স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযোগ করেছেন যে, তিনি বিপুল সম্পদের মালিক হলেও তার সম্পদের উৎস নিয়ে এখনো কার্যকর তদন্ত হয়নি। তারা দাবি করেছেন, মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইনে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানানো হয়েছে।
স্থানীয় সূত্র ও বিভিন্ন সময়ে প্রকাশিত প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, মোঃ মুক্তার হোসেনের বিরুদ্ধে চারঘাট মডেল থানায় মাদক ও অস্ত্র-সংক্রান্তসহ মোট ১৩টি মামলা রয়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে। এলাকা বাসীরা জানায়, অতীতে জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ তাকে বিদেশি পিস্তল ও ইয়াবাসহ একাধিকবার গ্রেফতার করেছিল। তবে বর্তমানে তিনি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ধরাছোঁয়ার বাইরে রয়েছেন বলে অভিযোগ করেছেন স্থানীয়রা।
তাদের দাবি মতে, মুক্তা মেম্বার অবৈধভাবে অর্জিত অর্থ দিয়ে চারঘাট এলাকায় কোটি কোটি টাকার স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদ গড়ে তুলেছেন। এলাকাবাসীরা এসব সম্পদের প্রকৃত উৎস অনুসন্ধান করে প্রয়োজনে তা জব্দের উদ্যোগ নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে চারঘাট থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ মিজানুর রহমান বলেছেন, মোঃ মুক্তার হোসেন ওরফে মুক্তার বিরুদ্ধে চারঘাট থানায় মোট ১৩টি মামলা রয়েছে। এর মধ্যে একটি অস্ত্র ও মাদক, দুটি মারামারি এবং ১০টি মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের মামলা রয়েছে। তিনি বলেন, মাদকের বিরুদ্ধে আমাদের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। কোনো অপরাধীকেই ছাড় দেওয়া হবে না। তবে মোঃ মুক্তার হোসেন ওরফে মুক্তা মেম্বারের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তার বক্তব্য পাওয়া গেলে তা গুরুত্বসহকারে প্রকাশ করা হবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন