প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলামের সঙ্গে হংকংয়ের পরিবেশ ও প্রতিবেশবিষয়ক মন্ত্রী টিএসই চিন-ওয়ানের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।
এই বৈঠকটি সোমবার (২৬ অক্টোবর) হংকং স্কাই সিটি মেরিওট হোটেলে অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, পানিদূষণ নিয়ন্ত্রণ, শব্দদূষণ এবং জলবায়ু পরিবর্তন সংক্রান্ত বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা করা হয়।
বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম মন্তব্য করেন, ‘পরিবেশ সুরক্ষায় কার্যকর বর্জ্য ব্যবস্থাপনা অত্যন্ত জরুরি। বর্জ্য সংগ্রহ, পৃথকীকরণ, পুনর্ব্যবহার ও নিরাপদ নিষ্পত্তির প্রতিটি পর্যায়ে সক্ষমতা বাড়াতে হবে। এ ক্ষেত্রে হংকংয়ের অভিজ্ঞতা ও কারিগরি জ্ঞান বাংলাদেশের জন্য সহায়ক হতে পারে।’
বৈঠকে পানিদূষণ ও শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণের বিষয়টিও আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল। দূষণের প্রভাব থেকে জনস্বাস্থ্য ও প্রতিবেশ রক্ষায় সহযোগিতার সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হয়।
এ প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘পানি ও শব্দদূষণ মানুষের স্বাস্থ্য এবং দৈনন্দিন জীবনের ওপর সরাসরি প্রভাব ফেলে। দূষণ নিয়ন্ত্রণে কার্যকর ব্যবস্থাপনার পাশাপাশি জনসচেতনতা ও নিয়মিত পর্যবেক্ষণ প্রয়োজন। পরিচ্ছন্ন, নিরাপদ ও বাসযোগ্য পরিবেশ গড়ে তুলতে পারস্পরিক অভিজ্ঞতা বিনিময় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।’
হংকংয়ের পরিবেশ ও প্রতিবেশবিষয়ক মন্ত্রী টিএসই চিন-ওয়ান বলেন, ‘পরিবেশ সুরক্ষা ও টেকসই উন্নয়নের অভিন্ন লক্ষ্য অর্জনে বাংলাদেশের সঙ্গে সহযোগিতা এগিয়ে নিতে আমরা আগ্রহী। বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, পানিদূষণ ও শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণ এবং জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় পারস্পরিক অভিজ্ঞতা ও জ্ঞান বিনিময়ের সুযোগ রয়েছে। আমাদের বেল্ট অ্যান্ড রোড সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্ট ট্রেনিং সেন্টারের মাধ্যমে প্রশিক্ষণ ও সক্ষমতা উন্নয়নে সহযোগিতা করতে আগ্রহী। আশা করি এ সহযোগিতা উভয় পক্ষের পরিবেশ ব্যবস্থাপনা ও টেকসই উন্নয়নের প্রচেষ্টাকে আরও এগিয়ে নিতে সহায়ক হবে।’
হংকংয়ের সহযোগিতার আগ্রহকে স্বাগত জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সহযোগিতা, জ্ঞান বিনিময় ও দক্ষতা উন্নয়ন জরুরি। হংকংয়ের প্রশিক্ষণকেন্দ্রের মাধ্যমে সহযোগিতার সম্ভাবনাকে আমরা ইতিবাচকভাবে দেখি। এ ধরনের সহযোগিতা পরিবেশ ও জলবায়ু বিষয়ে আমাদের প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বাড়াতে সহায়ক হতে পারে।’
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন