প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
চরম শোকের মুহূর্তে মানবিকতার এক অনন্য উদাহরণ দেখা গেল। তেলেঙ্গানায় দুই 'ব্রেন ডেড' (মস্তিষ্ক মৃত) ব্যক্তির অঙ্গদানের ফলে আটটি অমূল্য প্রাণ বাঁচানো সম্ভব হলো। রবিবার (২০ সেপ্টেম্বর) ভারতের হায়দরাবাদের পুলিশ কমিশনার বিসি সজ্জনার এই দুই দাতার প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে তাঁদের অবদানের কথা তুলে ধরেন।
সামাজিক মাধ্যম 'এক্স'-এ (সাবেক টুইটার) প্রকাশিত এক বার্তায় সজ্জনার জানান, “কামারেড্ডি জেলার ২৬ বছর বয়সী আইটি কর্মী (টেকি) বিনয় এবং ইয়াদাদ্রি ভুবনগিরি জেলার ৬০ বছর বয়সী পদ্মা অন্ডালু—মৃত্যুর পর তাঁদের অঙ্গদানের মাধ্যমে আটজন মানুষকে নতুন জীবন উপহার দিয়েছেন।”
তিনি দাতাদের শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, “অসীম দুঃখ ও বেদনার মুহূর্তের মধ্যেও তাঁদের পরিবারের সদস্যরা এগিয়ে এসে যে অঙ্গদানের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, তা সত্যিই প্রশংসনীয় ও মহান।”
বার্তা অনুযায়ী জানা যায়, গত ১৬ সেপ্টেম্বর ব্রেন টিউমারের কারণে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন তরুণ আইটি কর্মী বিনয়। ১৯ সেপ্টেম্বর চিকিৎসকরা তাঁকে 'ব্রেন ডেড' ঘোষণা করেন। বিনয়ের দান করা কিডনি ও লিভার চারজন রোগীর চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয় এবং তাঁর হৃৎপিণ্ড বাঁচিয়ে তোলে আরও একটি জীবন।
অন্যদিকে, ১৭ সেপ্টেম্বর তীব্র জ্বরে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন পদ্মা অন্ডালু। ১৯ সেপ্টেম্বর চিকিৎসকরা তাঁকেও 'ব্রেন ডেড' ঘোষণা করলে তাঁর স্বামী কালক্ষেপণ না করে অঙ্গদানের মহৎ সিদ্ধান্ত নেন। পদ্মার দুটি কিডনি ও লিভারের মাধ্যমে নতুন জীবন পান তিনজন মুমূর্ষু রোগী।
পুলিশ কমিশনার বিসি সজ্জনার আরও বলেন, “অঙ্গদান এক স্বর্গীয় সংকল্প। এটি মৃত্যুর পরেও অন্য কারও মাধ্যমে অমর হয়ে বেঁচে থাকার অনন্য সুযোগ করে দেয় এবং অন্ধকারের অতলে তলিয়ে যাওয়া একাধিক পরিবারে নতুন আলোর দিশা এনে দেয়।”
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন