প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
কলকাতার আবাসিক হোটেল ‘শিখা ইন’এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ৯ জন নিহত হওয়ার পর পুলিশের পক্ষ থেকে ইজারাদার আবু জাফরকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বুধবার রাতে কলকাতার এন্টালি মার্কেট এলাকা থেকে গোয়েন্দা পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে।
তবে হোটেল মালিক বীরেশ্বর মিত্রের এখনো কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি।
আনন্দবাজারের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আবু জাফরের পাশাপাশি আরও দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের নাম এবং পরিচয় প্রকাশ করা হয়নি। তবে জানা গেছে, গ্রেপ্তারকৃত দুজনের মধ্যে হোটেল 'যাপন' এর একটি কর্মী রয়েছে, যা ‘শিখা ইন’ এর সংলগ্ন।
মঙ্গলবার গভীররাতে ‘শিখা ইন’ হোটেলে এ অগ্নিকাণ্ড ঘটে, যেখানে ৯ জন নিহত হন, যাদের মধ্যে সাতজন বাংলাদেশি। নিউ মার্কেটের কাছে মির্জা গালিব স্ট্রিটের একটি ভবনের তৃতীয় তলায় অবস্থিত হোটেলটিতে আগুনের সূত্রপাত ঘটে এবং পরে তা আশেপাশের ভবনেও ছড়িয়ে পড়ে। আগুন লাগার সময় হোটেলের অতিথিরা ঘুমিয়ে ছিল এবং হোটেলের ঘরগুলো ধোঁয়ায় ভরে গেলে আতঙ্কিত অতিথিরা ছুটাছুটি শুরু করে।
কলকাতার ফায়ার সার্ভিসের সদর দপ্তর ওই হোটেলের কাছে অবস্থিত। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের চারটি গাড়ি ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নেভানোর কাজ শুরু করে। নিউ মার্কেট থানার পুলিশ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা দলের কর্মীরাও উদ্ধার কাজে অংশ নেন।
স্থানীয়দের বরাত দিয়ে আনন্দবাজার জানায়, অগ্নিকাণ্ডের সময় বাইরে থেকে আগুনের শিখা দেখা যাচ্ছিল না। কেবল কালো ধোঁয়া গলগল করে বের হতে দেখা যাচ্ছিল। আগুন লাগার বিষয়টি বুঝতে পেরে হোটেলের অতিথিরা বাইরে বেরিয়ে আসার চেষ্টা করে, কিন্তু গলির মধ্যে ওই ভবনে প্রবেশ এবং বের হওয়ার পথ খুব সঙ্কীর্ণ ছিল। সে সময়ে সেখানে হুড়োহুড়ি পড়ে যায়।
পুলিশ এবং ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ওই ভবন থেকে ৬০ জনকে উদ্ধার করে। তাদের মধ্যে অনেকেই ধোঁয়ায় অচেতন হয়ে পড়েছিল এবং তাদের হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন