প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
যশোরের কেশবপুরের আলেক ও মাজেদা দম্পতির হত্যার ঘটনার তদন্তে পুলিশ রহস্য উদঘাটন করেছে। মূলত প্রতিবেশী দেবর ও ভাবির অনৈতিক সম্পর্ক দেখে ফেলায় তাদের খুন করা হয়েছিল। এই ঘটনায় জড়িত নারীর নাম এবং তার দেবরের নামসহ দুজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। হত্যায় ব্যবহৃত একটি ধারালো অস্ত্রও উদ্ধার করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) দুপুর সাড়ে ১২টায় পুলিশ সুপার কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানানো হয়।
গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে রয়েছেন: কেশবপুর উপজেলার মাগুরখালী গ্রামের সরদারপাড়ার নুর ইসলামের স্ত্রী জেসমিন বেগম (৩৮) এবং একই এলাকার কেসমত সরদারের ছেলে মোস্তফা কামাল।
সংবাদ সম্মেলনে মনিরামপুর সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার ইমদাদুল হক জানান, গত ৩১ অক্টোবর রাতে কেশবপুর উপজেলার ব্রাহ্মণডাঙ্গা গ্রামের একটি মাঠ থেকে আলেক ও মাজেদার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। তদন্তের একপর্যায়ে সোমবার (২ নভেম্বর) হত্যায় জড়িত জেসমিন বেগম ও মোস্তফা কামাল নামে দুজনকে আটক করা হয়।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা জানান, গত ৩০ অক্টোবর জুমার নামাজের পর মোস্তফা প্রতিবেশী ভাবি জেসমিনকে নিয়ে মাঠে অনৈতিক সম্পর্কে লিপ্ত হন; যা দেখে ফেলেন মাজেদা। পরে মাজেদা তার স্বামী আলেককে বিষয়টি জানান। ঘটনার প্রচার হওয়ার আশঙ্কায় মাজেদা ও তার স্বামীকে হত্যার পরিকল্পনা করা হয় এবং তাদের মাঠে ডেকে নিয়ে যান জেসমিন।
এরপর মোস্তফা ধারালো অস্ত্র দিয়ে আলেককে আঘাত করেন এবং মাজেদাকে ওড়না দিয়ে গলায় ফাঁস দিয়ে হত্যা করা হয়। পরে দুজনের মরদেহ সেচ মেশিনের গর্তে ফেলে চলে যান তারা।
সহকারী পুলিশ সুপার ইমদাদুল হক আরও জানান, আটকদের দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত একটি ধারালো অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। আজই তাদের হত্যা মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতে সোপর্দ করা হবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন