প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে নগরীর চন্দ্রিমা থানাধীন পদ্মা আবাসিক এলাকার ৬ নম্বর রোডের একটি ভবনের ফ্ল্যাট থেকে মাহবুব হোসেন (৪৬) ও মোছাঃ সানজিদা আলম মৌ (২৫) নামের ওই নারীকে আটক করা হয়। মাহবুব হোসেন বর্তমানে সিরাজগঞ্জ জেলা পুলিশ লাইন্স ইন-সার্ভিস ট্রেনিং সেন্টারে কর্মরত বলে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে।
পুলিশ সূত্র জানায়, বৃহস্পতিবার রাতে ছুটি না নিয়ে সিরাজগঞ্জ থেকে রাজশাহীতে এসে ওই ফ্ল্যাটে অবস্থান করেন মাহবুব হোসেন৷ এমন অভিযোগ পাওয়ার পর বিষয়টি নিয়ে ঘটনাস্থলে যায় পুলিশ। এর আগে শুক্রবার সকাল ৭টার দিকে আন্নি আক্তার ফ্ল্যাটটিতে গিয়ে ভেতরে থাকা ব্যক্তিদের বিষয়ে জানতে চান। দরজায় ডাকাডাকি করেও সাড়া না পেয়ে তিনি জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ নম্বরে ফোন করেন।
পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলেও দরজা খোলা হয়নি। একপর্যায়ে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা গিয়ে দরজা খুলে দিলে ভেতর থেকে মাহবুব হোসেন ও সানজিদা আলম মৌকে বের করে আনা হয়। পুলিশ তাঁদের থানায় নিয়ে যায়।
পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে মাহবুব হোসেন সানজিদা আলম মৌকে তাঁর স্ত্রী বলে দাবি করেন। তবে এ দাবির সমর্থনে তিনি কোনো কাবিননামা দেখাতে পারেননি বলে পুলিশ জানিয়েছে। অন্যদিকে আন্নি আক্তারকে চার দিন আগে তালাক দেওয়া হয়েছে বলে মাহবুব হোসেন দাবি করেন। এসব বিষয় নিয়েই আন্নি আক্তার থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন।
মাহবুব হোসেন ২০২৪ সালে চন্দ্রিমা থানার ওসি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ওই সময় এক ব্যক্তির কাছ থেকে খাম নেওয়ার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর তাঁকে থানা থেকে প্রত্যাহার করা হয়েছিল বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে। পরে তিনি নওগাঁ জেলা পুলিশে কর্মরত ছিলেন। সেখানে তাঁর বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা হয় বলে জানা গেছে। এরপর তাঁকে সিরাজগঞ্জ ইন-সার্ভিস ট্রেনিং সেন্টারে সংযুক্ত করা হয়।
চন্দ্রিমা থানা পুলিশ জানিয়েছে, লিখিত অভিযোগ ও সংশ্লিষ্ট ঘটনার বিষয়ে তদন্ত চলছে। অভিযোগের সত্যতা এবং এ ঘটনায় আইনগত কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হবে কি না, তা তদন্তের পর নির্ধারণ করা হবে।#
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন