প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদির বলেছেন, থাইল্যান্ড দীর্ঘকাল ধরে বাংলাদেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্য অংশীদার হয়ে রয়েছে। দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যের পরিমাণ ধারাবাহিকভাবে বাড়ছে, তবে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ আরও সম্প্রসারণের যথেষ্ট সম্ভাবনা এখনও কাজে লাগানো সম্ভব হয়নি।
বৃহস্পতিবার, রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে আয়োজিত ‘টপ থাই ব্র্যান্ডস ২০২৬’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি জানান। অনুষ্ঠানে বাণিজ্যমন্ত্রী ‘টপ থাই ব্র্যান্ডস ২০২৬’ মেলার উদ্বোধন করেছেন।
তিনি উল্লেখ করেন, বাংলাদেশ থাইল্যান্ডে রপ্তানিযোগ্য পণ্যের বৈচিত্র্য বাড়াতে আগ্রহী। সম্ভাবনাময় পণ্যের মধ্যে রয়েছে ওষুধ, প্রক্রিয়াজাত খাদ্য, পরিবেশবান্ধব পণ্যগুলো পাটজাত, চামড়াজাত পণ্য এবং লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং পণ্য।
বাণিজ্যমন্ত্রী আরও বলেন, আমি বাংলাদেশি ব্যবসায়ীদের থাইল্যান্ডে আমাদের পণ্য ও সেবা রপ্তানির সুযোগগুলো কাজে লাগানোর আহ্বান জানাচ্ছি। টেকসই অর্থনৈতিক সহযোগিতা অবশ্যই পারস্পরিকভাবে লাভজনক হওয়া উচিত।
এই উদ্যোগের মাধ্যমে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যের ভারসাম্যপূর্ণ সম্প্রসারণ নিশ্চিত করা সম্ভব হতে পারে। আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, ‘টপ থাই ব্র্যান্ডস ২০২৬’ দুই দেশের বাণিজ্য, বিনিয়োগ, ব্যবসায়িক সহযোগিতা এবং বন্ধুত্ব আরো জোরদারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বাংলাদেশে নিযুক্ত থাইল্যান্ডের রাষ্ট্রদূত থিটিপর্ন চিরাসাওয়াদি বলেন, আমরা এই মেলার আয়োজনে অত্যন্ত আনন্দিত। বিশ্বজুড়ে থাই পণ্যের ব্যাপক সুনাম রয়েছে। এই আয়োজনের মাধ্যমে বাংলাদেশের মানুষ থাই পণ্য সম্পর্কে আরও ঘনিষ্ঠভাবে জানার সুযোগ পাবেন।
আয়োজকরা জানায়, ২৩ থেকে ২৫ জুলাই পর্যন্ত রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে অনুষ্ঠিত হবে ‘টপ থাই ব্র্যান্ডস ২০২৬’। তিন দিনব্যাপী এই আয়োজনে দর্শনার্থীরা থাইল্যান্ডের বিভিন্ন পণ্য, সংস্কৃতি ও রন্ধনশৈলীর সঙ্গে পরিচিত হওয়ার সুযোগ পাবেন।
রয়্যাল থাই দূতাবাস, থাইল্যান্ডের বাণিজ্য মন্ত্রণালয় এবং বাংলাদেশ-থাইল্যান্ড বিজনেস কাউন্সিলের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত ‘টপ থাই ব্র্যান্ডস ২০২৬’-এর এটি ২১তম আসর। মেলাটি প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত সবার জন্য উন্মুক্ত থাকবে।
এবারের মেলায় ৫৯টি প্রতিষ্ঠান অংশ নিচ্ছে। থাইল্যান্ডের শীর্ষস্থানীয় কোম্পানিগুলোর পাশাপাশি বাংলাদেশি আমদানিকারক ও এজেন্টরাও এতে অংশগ্রহণ করছেন। মেলায় খাদ্য ও পানীয়, হাসপাতাল ও স্বাস্থ্যসেবা, ওয়েলনেস, ফ্যাশন, বিউটি ও কসমেটিকস, নির্মাণসামগ্রী, কেমিক্যাল ও লুব্রিকেন্ট, স্টেশনারি এবং শিশু পরিচর্যাসহ বিভিন্ন খাতের পণ্য প্রদর্শিত হচ্ছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন