প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
সরকারের ‘লার্নিং উইথ হেপিনেস’ কর্মসূচির আওতায় উৎসবমুখর পরিবেশে শুরু হয়েছে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তঃকলেজ ক্রীড়া প্রতিযোগিতা-২০২৬ এর বিভাগীয় পর্যায়ের প্রতিযোগিতা।
রবিবার (০৬ সেপ্টেম্বর) সকালে ঢাকার মোহাম্মদপুরে সরকারি শারীরিক শিক্ষা কলেজ মাঠে ঢাকা বিভাগের প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করেন ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. এ এস এম আমানুল্লাহ।
এই তিন দিনব্যাপী প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করছে ঢাকা বিভাগের ১৩টি জেলার বিভিন্ন কলেজের ১ হাজার ৪৭২ জন অ্যাথলেট ও খেলোয়াড়। জেলার সেরা খেলোয়াড়দের মধ্যে বিভিন্ন ক্রীড়া ইভেন্টে প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। আগামী ৮ সেপ্টেম্বর সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণের মাধ্যমে ঢাকা বিভাগের এই পর্ব শেষ হবে। এই পর্বের বিজয়ীরা জাতীয় পর্যায়ের প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করবেন।
প্রতিযোগিতার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ভাইস-চ্যান্সেলর ড. এ এস এম আমানুল্লাহ উল্লেখ করেন, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের জন্য শুধুমাত্র শ্রেণিকক্ষে পড়াশোনা নয়, বরং খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে আনন্দময় ও মানবিক পরিবেশে বেড়ে ওঠার সুযোগ তৈরি করতে চায়। এই উদ্দেশ্যেই অধিভুক্ত কলেজগুলোর শিক্ষার্থীদের ক্রীড়া ও সহশিক্ষা কার্যক্রমকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
ড. আমানুল্লাহ আরও বলেন, প্রায় ৪০ লাখ শিক্ষার্থীর মধ্যে ক্রীড়াচর্চার জোয়ার সৃষ্টি করা সম্ভব হলে, এর ইতিবাচক প্রভাব সারা দেশের শিক্ষাঙ্গনে পড়বে। ‘লার্নিং উইথ হ্যাপিনেস’ কর্মসূচির অংশ হিসেবে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার পাশাপাশি খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণের কোনো বিকল্প নেই।
শিক্ষার্থীদের জীবনে খেলাধুলার গুরুত্ব তুলে ধরে ড. আমানুল্লাহ বলেন, "আমাদের অনেকেরই শৈশব হারিয়ে গেছে। এখন আমরা আবার সেই শৈশবকে ফিরিয়ে আনার, কৈশোর ও যৌবনের আনন্দ ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করছি।" তিনি বলেন, সরকারের যে চাহিদা ও আগ্রহ রয়েছে, সেই অনুযায়ী সারা দেশের ছেলেমেয়েদের মধ্যে খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড পুনরুজ্জীবিত করতে চাই।
ড. আমানুল্লাহ জানান, ঢাকা বিভাগ দিয়ে শুরু হওয়া এই ক্রীড়া আয়োজন পর্যায়ক্রমে দেশের অন্য সাতটি বিভাগেও অনুষ্ঠিত হবে। তরুণ সমাজকে সুস্থ, কর্মক্ষম ও মাদকমুক্ত রাখতে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ভবিষ্যতেও এ ধরনের উদ্যোগ অব্যাহত রাখবে।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক মো. লুৎফর রহমান। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার মোল্লা মাহফুজ আল-হোসেন, শারীরিক শিক্ষা ও সংস্কৃতি বিষয়ক দপ্তরের পরিচালক মোহাম্মদ শফিউল করিম, মোহাম্মদপুর শারীরিক শিক্ষা কলেজের অধ্যক্ষ মো. মুমিনুল হাসানসহ জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন দপ্তরের পরিচালক, কর্মকর্তা, বিভিন্ন কলেজের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন