বৃহস্পতিবার, ২২শে জানুয়ারী, ২০২৬ ইং
০৫:৪৬ পি.এম
জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা ড. খলিলুর রহমান ঢাকা সফরে থাকা মার্কিন রাষ্ট্রদূত ক্রিস্টেনসেনের সাথে সাক্ষাৎ করেছেন।
এ সাক্ষাৎটি বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) বিকেলে ঢাকায় অনুষ্ঠিত হয়।
ড. রহমান এ সময় ক্রিস্টেনসেনকে নতুন মার্কিন রাষ্ট্রদূত হিসেবে বাংলাদেশে স্বাগত জানান। তিনি ঢাকায় তার পূর্ববর্তী মেয়াদ এবং ওয়াশিংটন ডিসিতে মার্কিন সরকারের বিভিন্ন পদে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক উন্নয়নে তার গুরুত্বপূর্ণ অবদানের কথাও স্মরণ করেন।
ড. রহমান আশা প্রকাশ করেছেন যে তাঁর বর্তমান মেয়াদের মাধ্যমে দুই দেশের সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় পৌঁছাবে।
এক ঘণ্টাব্যাপী বৈঠকে, তারা বাংলাদেশ-মার্কিন সম্পর্কের বিভিন্ন মূল দিক নিয়ে আলোচনা করেছেন।
এ দিকগুলোতে অন্তর্ভুক্ত ছিল পারস্পরিক শুল্ক চুক্তি, রোহিঙ্গাদের প্রতি সহায়তা, ভিসা বন্ডসহ অভিবাসন এবং যুক্তরাষ্ট্রে অবৈধ বাংলাদেশিদের প্রত্যাবর্তন, বাংলাদেশে আমেরিকান বিনিয়োগ ও ব্যবসা, এবং অন্যান্য আঞ্চলিক উদ্বেগ।
রাষ্ট্রদূত ক্রিস্টেনসেন বাংলাদেশে গণতান্ত্রিক উত্তরণের জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দৃঢ় সমর্থন পুনঃব্যক্ত করেছেন এবং আসন্ন নির্বাচন ও বিস্তৃত সংস্কারের ক্ষেত্রে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রচেষ্টার প্রশংসা করেছেন।
এ সময় ঢাকাস্থ মার্কিন দূতাবাসের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক কাউন্সিলর এরিক গিলান উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সানজিদা আক্তার মেঘলা, রাবেয়া খান এবং ফাহিমা খাতুনের দুর্দান্ত বোলিংয়ে নামিবিয়া মাত্র ৬৪ রানে গুটিয়ে যায়। বাংলাদেশ তাদেরকে ১৪৫ রান করার জন্য লক্ষ্য দেয়, কিন্তু নামিবিয়া কোনোভাবেই একশোর গণ্ডি পার করতে সক্ষম হয়নি। মেঘলা ১৪ রান খরচ করে ৪ উইকেট লাভ করেন। একইসাথে রাবেয়া এবং ফাহিমা প্রতিটি ৩টি করে উইকেট দখল করেন, রাবেয়া দিয়েছেন মাত্র ৫ রান এবং ফাহিমা ১২ রান।
নেপালের কীর্তিপুরে অনুষ্ঠিত নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ বাছাইয়ের এই ম্যাচে বাংলাদেশ ৮০ রানে বিজয়ী হয়। এই জয়ের ফলে এক ম্যাচ হাতে রেখেই নিগার সুলতানাদের সুপার সিক্সে প্রবেশ নিশ্চিত হয়েছে। প্রথম খেলায় যুক্তরাষ্ট্রকে ২১ রানে পরাভূত করার পর বাংলাদেশ দ্বিতীয় ম্যাচে পাপুয়া নিউগিনির বিপক্ষে জয় পায় ৩০ রানে।
গ্রুপপর্বের শেষ ম্যাচে বাংলাদেশ আয়ারল্যান্ডের বিরুদ্ধে খেলার পরিকল্পনা করছে। যদি তারা এই ম্যাচটি জেতে, তবে তারা গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হিসেবে সুপার সিক্সে চলে যাবে। সেখান থেকে সেরা চারটি দল জুনে ইংল্যান্ডে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া টি-২০ বিশ্বকাপের টিকিট পাবে।
বাংলাদেশ প্রথমে ব্যাট করে ২০ ওভারে ১৪৪ রান সংগ্রহ করে ৭ উইকেট হারিয়ে। সোবহানা মোস্তারি ২৭, দিলারা আক্তার ২৫, স্বর্ণা আক্তার ২৩ এবং নিগার সুলতানা জ্যোতি ২১ রান করেন। নামিবিয়ার হয়ে সাইমা তুহাদেলেনি ও সিলভিয়া শিহিপো ২টি করে উইকেট শিকার করেন।
লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে নামিবিয়া ২০ রানের উদ্বোধনী জুটি গড়লেও পরে রাবেয়া, ফাহিমা ও মেঘলার দাপটে আটকে পড়ে। রাবেয়া প্রথম দুটি উইকেট তুলে নেন। সর্বোচ্চ ১৯ রান করা সুনে উইটম্যানের উইকেট দখল করেন ফাহিমা। এরপর নামিবিয়ার ৪ উইকেটের সংগ্রহ ৪৯ হয়ে যায়। পরবর্তীতে ১৫ রানের মধ্যে বাংলাদেশ বাকি ৬টি উইকেট তুলে নেয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঝুঁকিতে থাকা সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য রক্ষার জন্য কাজ করা ব্রিটিশ কাউন্সিলের কালচারাল প্রোটেকশন ফান্ড (সিপিএফ) এ বছর শতাব্দী পূর্ণ করছে। এই উপলক্ষে, ব্রিটিশ কাউন্সিল দেশে ঐতিহ্য সংরক্ষণে যুক্ত পেশাজীবীদের জন্য দক্ষতা উন্নয়ন কর্মশালার আয়োজন করতে যাচ্ছে।
এই কর্মশালাগুলোর উদ্দেশ্য হল ঐতিহ্যে কাজ করা পেশাজীবী এবং প্রতিষ্ঠানগুলোর দক্ষতা বৃদ্ধির পাশাপাশি তাদের মধ্যে একটি শক্তিশালী যোগাযোগ ও নেটওয়ার্ক গড়ে তোলা। ব্রিটিশ কাউন্সিল জানায়, এই কর্মশালার মাধ্যমে ঐতিহ্য নিয়ে কাজ করা ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানগুলো নিজেদের পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধির সুযোগ পাবেন। এতে দেশীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ের ঐতিহ্য সংরক্ষণ কার্যক্রমে তাদের যুক্ত হওয়ার সুযোগও তৈরি হবে।
এই উদ্যোগের আওতায় দেশজুড়ে এবং বিদেশেও ঐতিহ্যে কাজ করা পেশাজীবীদের একত্রিত করা হবে। আয়োজক প্রতিষ্ঠানটি মনে করে, এর ফলে অভিজ্ঞতা বিনিময় ও সমন্বয়ের মাধ্যমে কাজের গতি আরও বাড়বে।
এ প্রসঙ্গে ব্রিটিশ কাউন্সিল বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর স্টিফেন ফোর্বস মন্তব্য করেন, কালচারাল প্রোটেকশন ফান্ড কেবল ঐতিহ্য রক্ষা নয়, বরং মানবসম্পদে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে আমাদের দীর্ঘমেয়াদি কমিটমেন্টের প্রতিফলন। নতুন পেশাগত উন্নয়নের সুযোগ সৃষ্টি করে, আমরা ঐতিহ্যে কর্মরত পেশাজীবীদের দক্ষতা বৃদ্ধি, নেটওয়ার্কের শক্তিশালীকরণ, এবং সাংস্কৃতিক সুরক্ষার ভবিষ্যত নির্মাণে সহায়তা করছি।
ব্রিটিশ কাউন্সিল জানাচ্ছে, ২০২২ সাল থেকে দক্ষিণ এশিয়ায় কালচারাল প্রোটেকশন ফান্ডের সাহায্যে বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়িত হয়েছে, যার মূল উদ্দেশ্য হল স্থানীয় জনগণের ক্ষমতায়ন এবং তাদের ইতিহাস ও পরিচয়সহ ঐতিহ্য সংরক্ষণ।
২০২৪–২৫ অর্থবছরে ডারহাম বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশের বরেন্দ্র গবেষণা জাদুঘরে প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিচালনা করবে। এই প্রকল্পের মাধ্যমে জাদুঘরের কর্মীদের সংগ্রহ সংরক্ষণ, ঐতিহ্য সুরক্ষা ও মৌখিক ঐতিহ্য রক্ষার প্রশিক্ষণ প্রদান করা হবে। সাথেই, জাদুঘরের সংগ্রহ থেকে তৈরি একটি ভ্রাম্যমাণ প্রদর্শনী ‘২৫টি বস্তুতে বাংলাদেশের ইতিহাস’ প্রস্তুত হবে।
একই তহবিলের সাহায্যে পাকিস্তানে সিন্ধু বদ্বীপের সামুদ্রিক ঐতিহ্য এবং হাজারা অঞ্চলের হস্তশিল্প সংরক্ষণ করা হচ্ছে। সোয়াত উপত্যকায় বৌদ্ধ নিদর্শন এবং ঐতিহাসিক সিল্ক রুটের স্থাপনাগুলো পুনর্গঠন করা হচ্ছে, এবং করাচির খালিকদিনা হলকে একটি জীবন্ত সাংস্কৃতিক কেন্দ্র হিসেবে পুনর্নির্মাণ করা হচ্ছে।
নেপালে, এই তহবিলের মাধ্যমে বিলুপ্তপ্রায় কুসুন্ডা ভাষা পুনর্জীবিত এবং নারীদের দ্বারা আঁকা মৈথিল দেয়ালচিত্র সংরক্ষণ করা হচ্ছে। এছাড়া, হিমালয়ের দুর্গম এলাকায় প্রাচীন বৌদ্ধ মঠ এবং জলবায়ু পরিবর্তনের বিপদে থাকা আদিবাসী খাদ্যসংস্কৃতি সংরক্ষিত হচ্ছে। ব্রিটিশ কাউন্সিল বলে, এই কমিউনিটি-কেন্দ্রিক উদ্যোগগুলি পুনরুদ্ধার, স্থিতিস্থাপকতা এবং নবজাগরণের শক্তি হিসেবে কাজ করছে এবং মানুষের সাংস্কৃতিক পরিচয় ও ভবিষ্যত গঠনে ভূমিকা রাখছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে (খুবি) ‘দুগ্ধজাত গাভীকে নির্দিষ্ট পরিমাণে তিসি বীজ ও ইস্ট খাওয়ানোর মাধ্যমে দুধের উৎপাদন বৃদ্ধি ও এর গুণগতমান উন্নয়ন’ বিষয়ক একটি গবেষণা কর্মশালার আয়োজন করা হয়েছে। এই কর্মশালাটি অনুষ্ঠিত হয়েছে সাউথইস্ট ব্যাংক পিএলসি’র অর্থায়নে এবং খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের এগ্রোটেকনোলজি ডিসিপ্লিন কর্তৃক পরিচালিত গবেষণা প্রকল্পের আওতায়।
বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গবেষণাগারের সম্মেলন কক্ষে এ কর্মশালার আয়োজন করা হয়। প্রধান অতিথি হিসেবে উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ হারুনর রশীদ খান বক্তব্য রাখেন।
তিনি জানান, গবেষণার প্রধান উদ্দেশ্য হচ্ছে যাতে গবেষণালব্ধ ফলাফল মানুষের উন্নয়নে সহায়ক হয় এবং জাতির কল্যাণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। কৃষিখাতে আরও অনেক গবেষণার প্রয়োজন রয়েছে, বিশেষ করে দুধ উৎপাদন বৃদ্ধি ও গুণগত মানোন্নয়ন সম্পর্কে ভবিষ্যতে বিস্তৃত গবেষণার সুযোগ রয়েছে।
তিনি আরও জানান, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় সবসময় গবেষণাকে গুরুত্ব দিয়েছে। শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের জন্য গবেষণায় বরাদ্দ পূর্বের তুলনায় এখন বেশি। এবারে প্রথমবারের মতো কোলাবরেটিভ রিসার্চে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে, যা আগামীতে আরো বৃদ্ধি পাবে। গবেষণার মাধ্যমে মানবজীবনের মান উন্নয়নে বিশেষ গুরুত্বারোপ করা উচিত।
বিশেষ অতিথি হিসেবে ট্রেজারার প্রফেসর ড. মোঃ নূরুন্নবী বক্তব্য রাখতে গিয়ে বলেন, গবেষণার ফলাফল যেন গ্রামীণ জনগণের উপকারে আসে, সেদিকে বিশেষভাবে নজর দিতে হবে। কার্যকর গবেষণার জন্য প্রান্তিক জনগণের অভিজ্ঞতা নিয়ে কাজ করা জরুরি। উৎপাদন বাড়ানোর পাশাপাশি খরচ কমাতে হবে যাতে কৃষকের লাভ হয়।
এতে যোগদেয়া অতিথিদের মধ্যে ছিলেন এগ্রোটেকনোলজি ডিসিপ্লিনের প্রধান প্রফেসর মোঃ রেজাউল ইসলাম, গবেষণা ও উদ্ভাবনী কেন্দ্রের পরিচালক প্রফেসর ড. কাজী মোহাম্মদ দিদারুল ইসলাম এবং খুলনা জেলা ভেটেরিনারি অফিসার ডাঃ সঞ্জয় বিশ্বাস। সূচনা বক্তব্য দেন সংশ্লিষ্ট প্রকল্পের প্রধান গবেষক, এগ্রোটেকনোলজি ডিসিপ্লিনের প্রফেসর ড. সরদার শফিকুল ইসলাম। এ কর্মশালায় খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী এবং প্রান্তিক কৃষকরা অংশগ্রহণ করেন।
প্রকল্পের প্রধান গবেষক আরও জানান, বাংলাদেশে বিভিন্ন গ্রামের খামারে গাভী পালন করে পরিবারগুলি জীবিকা নির্বাহ করে। তবুও, খামার পর্যায়ে দুধ উৎপাদন ও গুণগত মান এখনও প্রত্যাশিত হয়নি। এর প্রধান কারণ হচ্ছে পুষ্টিকর খাদ্যের অভাব এবং উন্নত পুষ্টি ব্যবস্থাপনায় দুর্বলতা। পুষ্টিজৈবপ্রযুক্তির ব্যবহার গবাদি পশুর পুষ্টি ব্যবস্থায় নতুন সুযোগ তৈরি করেছে। লাইভ ইস্ট এবং তিসি বীজ এই ক্ষেত্রে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে।
লাইভ ইস্ট গাভীর পাকস্থলীতে কার্যকরভাবে কাজ করে এবং খাদ্যকে হজম করতে সহায়ক। এটির মাধ্যমে দুধ উৎপাদন বৃদ্ধি, শরীরের অবস্থার উন্নয়ন এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানো সম্ভব। তিসি বীজও উচ্চমানের তেল, প্রোটিন ও প্রয়োজনীয় খনিজ পদার্থের উত্স হিসেবে পরিচিত। গবেষণায় দেখা গেছে যে, প্রতিদিন ৪০০-৬০০ গ্রাম তিসি বীজ গাভীর খাদ্যে যোগ করলে দুধ উৎপাদন ২০-২৫ শতাংশ পর্যন্ত বাড়াতে পারে। খুলনা অঞ্চলে পরিচালিত এক গবেষণায় দেখা গেছে, দুধ উৎপাদন ৮.৫৫ কেজি থেকে বেড়ে ১০.৪৮ কেজিতে উন্নীত হয়েছে। এর ফলে দুধের গুণগত মান বৃদ্ধি পাচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
খাগড়াছড়িতে বিএনপি প্রার্থী আবদুল ওয়াদুদ ভূঁইয়া ইমাম, মুয়াজ্জিন ও ওলামা-মাশায়েখদের সঙ্গে মতবিনিময় এবং দোয়া মাহফিলের মাধ্যমে তার প্রচারণা শুরু করেছেন।
বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) বিকালে পৌর টাউন হলে তিনি ইমাম, মুয়াজ্জিন ও ওলামা-মাশায়েখদের নিয়ে একটি সভা অনুষ্ঠিত করেন।
এ সময় তিনি উল্লেখ করেন, জনগণের ভোটে আগামী নির্বাচনে যদি তারা ক্ষমতায় আসেন, তবে আলেম সমাজকে যথাযোগ্য সম্মানিত করার লক্ষ্য থাকবে। বিগত ১৭ বছর ধরে আলেমদের উপর যে অত্যাচার ও নির্যাতন হয়েছে, তার বিচার করার কথা বলেন। নির্বাচিত হলে আগামিতে আলেম সমাজকে যথেষ্ট সম্মানী দেওয়ার প্রতিশ্রুতি তিনি প্রদান করেন।
সভায় জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এম এন আফসার, সংগঠনিক সম্পাদক আব্দুর রব রাজা, আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাতের সভাপতি মাওলানা আবু তাহের আনসার, সাধারণ সম্পাদক সাজ্জাদ মাহমুদসহ অনেকেই উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া মোনাজাত পরিচালনা করেন কেন্দ্রীয় শাহী জামে মসজিদের পেশ ইমাম মাওলানা সালাউদ্দিন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ