প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
সাতক্ষীরা-৪ আসনের জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামের ব্যক্তিগত মুহূর্তের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর গোটা দেশে আলোচনা-সমালোচনা চলছে। এই পরিস্থিতির মধ্যেই তাকে নিয়ে আরও একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে, যেখানে এক তরুণীর সঙ্গে তাকে দেখা যাচ্ছে।
মঙ্গলবার (২১ জুলাই) সকালে বিভিন্ন মাধ্যমে নতুন ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ে। ১ মিনিট ৪৭ সেকেন্ডের ওই ভিডিওতে গাজী নজরুল ইসলামকে জিজ্ঞাসা করা হয়, আপনি ওরে কয়দিন আনছেন? প্রশ্নের জবাবে গাজী নজরুল বলেন, ‘বিশ্বাস করেন, একবার। ওরে নিয়ে আমি একবারই এসেছি।’ এ সময় তিনি জামাতের নেতা হয়েও মেয়ে নিয়ে এসে অন্যায় করেছেন বলে স্বীকার করেন।
এদিকে পাশে দাঁড়িয়ে থাকা তরুণীকে তার নাম জিজ্ঞাসা করা হলেও তিনি নিজের নাম বলতে চাননি। পরে বারবার জিজ্ঞাসা করা হলে তরুণী নিজের নাম মারিয়া বলে উল্লেখ করেন। তবে তিনি ভিডিওটি ডিলিট করে দেওয়ার আবেদন জানান। যখন তাকে তার বাসার ঠিকানা জিজ্ঞাসা করা হয়, তখন তিনি চুপ করে থাকেন।
এর আগে, সোমবার রাতে, গাজী নজরুল ইসলামের সঙ্গে একটি তরুণীর ব্যক্তিগত ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়। এই ঘটনার ফলে দেশজুড়ে কড়া সমালোচনা চলছে। সাতক্ষীরা জামায়াতের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, ভাইরাল ভিডিওর ওই তরুণী গাজী নজরুল ইসলামের দ্বিতীয় স্ত্রী। পরে নজরুল ইসলামও তার ফেসবুক অ্যাকাউন্টে একই দাবি করেছেন।
ফেসবুক পোস্টে, তিনি জানান, রাজধানীর মগবাজারে তার ‘দ্বিতীয় স্ত্রী’র বাবার অফিসে তাকে ‘জিম্মি’ করে এক লাখ টাকা আদায় করা হয়েছে। পরে উদ্দেশ্যপ্রাণোদিতভাবে তাদের (তরুণী ও গাজী নজরুল ইসলাম) ব্যক্তিগত ও ঘনিষ্ঠ মুহূর্তের ভিডিও ধারণ করে তা ছড়িয়ে দেওয়া হয়।
২০২৬ সালের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মনোনয়নে দ্বিতীয়বারের মতো সাতক্ষীরা-৪ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন গাজী নজরুল ইসলাম। তিনি সাতক্ষীরা জেলা শাখার আমির হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন এবং বর্তমানে তিনি বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিশে শূরা সদস্য হিসেবে কাজ করছেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন