প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে বাণিজ্য, বিনিয়োগ, গবেষণা এবং প্রদর্শনী শিল্পের উন্নয়নে সহযোগিতা সম্প্রসারণের লক্ষ্যে আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়েছে বাংলাদেশ-চীন চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (বিসিসিসিআই) এবং চায়না কাউন্সিল ফর দ্য প্রমোশন অব ইন্টারন্যাশনাল ট্রেড (সিসিপিআইটি) একাডেমির মধ্যে।
গতকাল ঢাকার গুলশানে অবস্থিত বিসিসিসিআই কার্যালয়ে সিসিপিআইটি একাডেমির প্রেসিডেন্ট ঝাও পিংয়ের নেতৃত্বে দুই সদস্যের প্রতিনিধিদল বিসিসিসিআই নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে অংশ নেয়।
বিসিসিসিআইয়ের মহাসচিব জামিলুর রহমান প্রতিনিধিদলকে স্বাগত জানান।
বৈঠকের সময় ঝাও পিং বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, বৃহৎ ভোক্তা বাজার, জনমিতিক সম্ভাবনা এবং ব্যবসায়িক সুযোগের প্রশংসা করেন। তিনি দক্ষিণ এশিয়ার ব্যবসায়িক পরিবেশ নিয়ে গবেষণায় বিসিসিসিআইয়ের অংশগ্রহণের সম্ভাবনাকে স্বাগত জানান। ঝাও পিং চীনের নীতি এবং ব্যবসায়িক কার্যক্রম সম্পর্কে সিসিপিআইটি একাডেমির প্রশিক্ষণ কর্মসূচির বিষয়েও আলোচনা করেন।
বৈঠকে জ্বালানি, প্রদর্শনী শিল্প এবং গবেষণা ও জ্ঞান বিনিময়কে সহযোগিতার প্রধান ক্ষেত্র হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। এলপিজি সংরক্ষণাগার, ব্যাটারি প্রযুক্তি এবং সৌরবিদ্যুৎ খাতে চীনা বিনিয়োগের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।
এছাড়া চট্টগ্রামের প্রদর্শনী কেন্দ্রের অবকাঠামো ও যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন, বৈদ্যুতিক যানবাহন, সৌরশক্তি এবং খাদ্যপণ্যের বিশেষায়িত প্রদর্শনী আয়োজন এবং বিভিন্ন খাতে যৌথ গবেষণার প্রস্তাবও উঠে আসে।
বিসিসিসিআইয়ের নির্বাহী পরিচালক মো. আবু তাহের দুই প্রতিষ্ঠানের এক দশকের সম্পর্কের কথা উল্লেখ করে চীনের গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্য প্রদর্শনী ও প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে বাংলাদেশের ব্যবসায়ীদের অংশগ্রহণের সুযোগ বৃদ্ধি করতে সিসিপিআইটির সহযোগিতা কামনা করেন।
বৈঠকে বিসিসিসিআইয়ের সহসভাপতি খন্দকার আতিকুর রহমান এবং মাসুদ আলী খান, উপদেষ্টা মো. ফয়জুল আলম এবং পরিচালক ড. মো. রাকিবুল হক উপস্থিত ছিলেন।
বৈঠকে যৌথ গবেষণা, প্রযুক্তি হস্তান্তর, বিনিয়োগ এবং প্রদর্শনী শিল্পের উন্নয়নের মাধ্যমে দুই দেশের ব্যবসায়িক সম্পর্ক আরও জোরদার হবে বলে আশা প্রকাশ করা হয়।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন