প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
নির্বাচন কমিশন (ইসি) আবাসস্থল পরিবর্তনের কারণে ভোটার এলাকা পরিবর্তনের জন্য আবেদন নিষ্পত্তির শেষ সময় ৫ নভেম্বর নির্ধারণ করেছে। হালনাগাদের পর ২৫ নভেম্বর চূড়ান্তভাবে ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হবে। যারা ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত থাকবেন, তারাই স্থানীয় সরকার নির্বাচনে ভোট দিতে পারবেন।
এদিকে, নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, আগামী বছরের ২১ জানুয়ারি প্রথম ধাপের ভোট অনুষ্ঠিত হবে। দ্বিতীয় ধাপের ভোট ৪ ফেব্রুয়ারি, তৃতীয় ধাপে ২৯ এপ্রিল, চতুর্থ ধাপে ১৩ মে এবং পঞ্চম ও শেষ ধাপের ভোটগ্রহণ হবে ২৭ মে। এসব নির্বাচনের তফসিল জেলা নির্বাচন কর্মকর্তারা ঘোষণা করবেন।
ভোটার তালিকা মুদ্রণ চূড়ান্ত হবে ২৫ নভেম্বর।
ইসি সোমবার একটি নির্দেশনায় দেশের সব উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তাদের জানিয়েছে, ২০০৮ সালের ৩১ অক্টোবর বা তার আগে যাদের জন্ম, তাদের মধ্যে যারা এ বছরের ৩১ অক্টোবরের মধ্যে ভোটার ডেটাবেজে নিবন্ধিত হবেন, তাদের অন্তর্ভুক্ত করে হালনাগাদ ভোটার তালিকা চূড়ান্ত করা হবে।
এ জন্য ৫ নভেম্বর সারা দেশে খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হবে। দাবি-আপত্তি নিষ্পত্তির পর ২৫ নভেম্বর চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হবে।
স্থানান্তর নিষ্পত্তির নির্দেশ
স্থানীয় সরকার নির্বাচন উপলক্ষে ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত ভোটার এলাকা পরিবর্তনের জন্য আবেদন করা যাবে। এসব আবেদন ৫ নভেম্বরের মধ্যে নিষ্পত্তি করতে হবে।
স্থানীয় সরকার নির্বাচন সামনে রেখে হালনাগাদ ভোটার তালিকা চূড়ান্ত করার পরিকল্পনা ছিল আগস্টে। ইসির পরিকল্পনা ছিল, নভেম্বরে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন শুরু হবে এবং সেপ্টেম্বরে তফসিল ঘোষণা করা হবে। এ লক্ষ্যে ভোটার তালিকা মুদ্রণের কাজও শুরু করার পরিকল্পনা ছিল।
তবে ভোট পিছিয়ে যাওয়ায় দেশজুড়ে ফের ভোটার স্থানান্তর কার্যক্রম চালু করে নির্বাচন কমিশন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন