প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ঢাকা, ২ অক্টোবর, ২০২৬ : বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ইয়েমেনের রাজধানী সানায় একাধিক শক্তিশালী বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। এ বিস্ফোরণের শব্দ শোনার খবর নিশ্চিত করেছেন এএফপির একজন সংবাদদাতা, যিনি ইরান-সমর্থিত হুথিদের নিয়ন্ত্রণাধীন শহরটিতে অবস্থান করছেন।
হুথিদের সমর্থক সংবাদ সংস্থা সাবা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে এই ঘটনার উল্লেখ করে বলেছে, এটি ‘সৌদি আগ্রাসন’ এর ফল।
এএফপির প্রকাশিত ভিডিও ফুটেজে দেখা গেছে, শহরের ওপর থেকে বড় বড় ধোঁয়ার কুণ্ডলী উড়ছে।
কিছু বছর শান্ত থাকার পর জুলাই মাসে ইয়েমেনে আবারও যুদ্ধ শুরু হয়। একদিকে রয়েছে সানা এবং ইয়েমেনের লোহিত সাগর উপকূলের নিয়ন্ত্রণে থাকা হুথিরা। অন্যদিকে রয়েছে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ইয়েমেন সরকার, যা সৌদি আরবের সমর্থনে পরিচালিত।
দক্ষিণাঞ্চলের এডেন শহর থেকে নির্বাসিত অবস্থায় পরিচালিত সরকার দেশের দক্ষিণ ও পূর্বাঞ্চলের একটি বড় অংশ নিয়ন্ত্রণ করে। যদিও অঞ্চলটি আয়তনে বড়, জনসংখ্যা তুলনামূলকভাবে কম।
ইয়েমেনের আকাশসীমা নিয়ন্ত্রণকে কেন্দ্র করে নতুন করে সংঘাতের সূত্রপাত হয়।
গত এক দশক ধরে চলমান নিয়মের বাইরে গিয়ে জুলাই মাসে ইরান সৌদি কর্তৃপক্ষের অনুমতি না নিয়ে একটি বিমান সানায় পাঠায়। ওই বিমানে হুথিদের একটি প্রতিনিধিদল ছিল।
এই ঘটনার পর সৌদি আরব রাজধানী সানার বিমানবন্দরে বিমান হামলা চালানোর সম্ভাবনা রয়েছে। এর জবাবে, হুথিরা ২০২২ সালের পর প্রথমবারের মতো সৌদি আরবের ভূখণ্ডে হামলা করে।
এরপর থেকে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘাত আরও তীব্র হয়ে উঠেছে। সেপ্টেম্বরের শুরুতে, ইরান-সমর্থিত হুথিরা একটি বড় ধরনের অভিযান চালায়। কয়েক দিনের মধ্যে তারা কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ বাব আল-মান্দাব প্রণালীর উপকূলীয় অঞ্চলগুলোর নিয়ন্ত্রণ গ্রহণ করে।
এরপর হুথিরা সৌদি আরবের বিভিন্ন স্থাপনায় একাধিক হামলা চালিয়েছে, যার মধ্যে দেশটির তেল অবকাঠামো এবং রাজধানী রিয়াদও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন