প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
বর্ষা আসার সাথে সাথে ঘরের বিভিন্ন শুকনো খাদ্যপণ্যে আর্দ্রতার পরিমাণ বৃদ্ধি পেতে শুরু করে। এই পরিস্থিতিতে চাল, ডাল এবং অন্যান্য দানাশস্যে ছোট ছোট পোকা দেখা দিতে পারে। দোকান থেকে পরিষ্কার চাল কিনে এনে যত্ন সহকারে ড্রামে সংরক্ষণ করার পরও যদি কিছু দিনের মধ্যে চালের মধ্যে পোকা দেখা দেয়, তাহলে এটি একটি বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়ায়। পোকাগুলো এক এক করে বেছে ফেলা যেমন কঠিন, তেমনি এত চাল ফেলে দেওয়াও সম্ভব নয়। তাহলে এই পরিস্থিতিতে কী পদক্ষেপ নেওয়া উচিত?
বর্ষায় চালে কেন পোকা বেশি হয়?
চালের মধ্যে যদি অল্প সংখ্যক পোকা ঢুকে পড়ে, তবে তারা সেখানে বংশবিস্তার করতে পারে। এর প্রধান কারণ হলো অতিরিক্ত আর্দ্রতা। বর্ষাকালে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ বৃদ্ধি পাওয়ার ফলে চাল, ডাল এবং অন্যান্য শুকনো খাবারে পোকার উপদ্রব বৃদ্ধি পায়।
যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ফুড টেকনোলজি ও বায়ো-কেমিক্যাল-ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক প্রশান্ত বিশ্বাস বলেন, “শুকনো খাবার থেকে পোকা তাড়ানোর জন্য ক্লোরিন ফাঙ্গিসাইড ব্যবহার করা হয় কিন্তু ধোয়ার পরেও যৌগটি সম্পূর্ণরূপে পরিষ্কার হয় না। যা স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। তাই মা-খালাদের টোটকাই কাজ লাগতে পারে।”
যে ঘরোয়া টোটকায় চাল থেকে পোকা সরবে
শুকনো মরিচ: চাল বা ডালের পাত্রে কয়েকটি শুকানো মরিচ রেখে দিতে পারেন। লঙ্কার ঝাঝালো গন্ধ পোকার উপদ্রব কমাতে সাহায্য করে। এই পদ্ধতি শুধু বর্ষাকালে নয়, সারা বছর ব্যবহার করা যেতে পারে।
নিমপাতা: চালের পাত্রে শুকানো নিমপাতা বা নিমের শুকনো ডাল রাখলে পোকার সমস্যা কমে যেতে পারে। নিমপাতার গন্ধ পোকা সহ্য করতে পারে না।
সিলিকা জেল: জুতার বাক্সে বা ব্যাগের সঙ্গে যে ছোট সিলিকা জেলের প্যাকেট পাওয়া যায়, সেটিও ব্যবহার করা যেতে পারে।
অধ্যাপক প্রশান্ত বিশ্বাসের মতে, শুকনো খাবারের পাত্রে সিলিকা জেল রাখা যেতে পারে। অন্যান্য খাবার যেমন চাল, ডাল ছাড়াও বিস্কুটসহ বিভিন্ন শুকনো খাবারের পাত্রে সিলিকা জেল রাখা উচিত। তবে খেয়াল রাখতে হবে, যদি সিলিকা জেলের প্যাকেট কোনো কারণে ভিজে যায়, তা দ্রুত বদলে ফেলতে হবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন