প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
মধ্যপ্রাচ্যের অন্তত আটটি মার্কিন সামরিক স্থাপনায় বড় ধরনের পাল্টা হামলা চালিয়েছে ইরান।
স্থানীয় সময় শনিবার (২৭ জুন) দিবাগত রাতে ইরানের সিরিক শহর এবং কেশম দ্বীপে যুক্তরাষ্ট্রের বিমান হামলার জবাবে মার্কিন ঘাঁটিগুলোকে লক্ষ্যবস্তু বানানো হয়েছে বলে দেশটির ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) জানিয়েছে। ইরানি সংবাদমাধ্যম প্রেস টিভির এক প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা গেছে।
আইআরজিসি এক আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে উল্লেখ করেছে, তাদের নৌ ও মহাকাশ বাহিনী যৌথভাবে শনিবার দিবাগত রাত দুইটা থেকে তিনটা বা এক ঘণ্টার মধ্যে এই বিশেষ অপারেশন পরিচালনা করে। এতে কুয়েতের আলি আল সালেম বিমানঘাঁটি এবং বাহরাইনের সালমান বন্দরে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের পঞ্চম নৌবহরের প্রধান সদর দপ্তরসহ আটটি ‘গুরুত্বপূর্ণ মার্কিন সামরিক স্থাপনাকে’ নিখুঁতভাবে লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করা হয়।
বিবৃতিতে তারা দাবি করেছে, এই প্রতিশোধমূলক অভিযানে তাদের নিজস্ব প্রযুক্তির অত্যাধুনিক ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও একঝাঁক ড্রোন ব্যবহার করা হয়েছে। ইরানের এই শক্তিশালী সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, মার্কিন স্থাপনাগুলোতে চালানো এই জোরালো হামলা পুরোপুরি সফল হয়েছে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, এর আগে দিনটির শুরুতে শত্রুপক্ষ অর্থাৎ যুক্তরাষ্ট্র ইরানের পাঁচটি উপকূলীয় চৌকিতে আকস্মিক হামলা চালিয়েছে, যার পরই এই পাল্টা অভিযান পরিচালনা করা হয়।
আইআরজিসির ভাষায়, ‘যুক্তরাষ্ট্রের স্বভাবই হলো প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করা ও দ্বিপক্ষীয় চুক্তি লঙ্ঘন করা। তারা অযাচিতভাবে ইরানের পাঁচটি উপকূলীয় চৌকিতে হামলা চালিয়েছে। তারা এই হামলাকে হরমুজ প্রণালিতে আইআরজিসি নৌবাহিনীর একটি অনুপ্রবেশকারী জাহাজের বিরুদ্ধে নেওয়া পদক্ষেপের জবাব হিসেবে দাবি করেছে, যা সম্পূর্ণ মিথ্যা।’
ইরানের সামরিক বাহিনী বিবৃতিতে আরও বলে, সম্প্রতি পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে স্বাক্ষরিত একটি সমঝোতা স্মারক অনুযায়ী, হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলকারী সব ধরনের সামুদ্রিক নৌযানের তদারকির আইনি দায়িত্ব ইরানের ওপর ন্যস্ত রয়েছে।
আইআরজিসি কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়ে জানায়, এখন থেকে আন্তর্জাতিক নিয়ম লঙ্ঘনকারী যেকোনো নৌযানের বিরুদ্ধে আগের তুলনায় আরও অনেক বেশি কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। শত্রুপক্ষ ভবিষ্যতে যেকোনো অজুহাতে নতুন করে যদি কোনো আগ্রাসন চালায়, তাহলে তার পরবর্তী জবাব হবে অত্যন্ত কঠোর, ব্যাপক ও বিধ্বংসী।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন