প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
মৌলভীবাজার জেলার উন্নয়নমূলক কার্যক্রমে বাধা সৃষ্টি ও হয়রানি করার অভিযোগে জেলা পরিষদের দুর্নীতিগ্রস্ত ও ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী ‘প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা শামীমা খন্দকারের’ অপসারণের দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) দুপুরে প্রেসক্লাবের সামনে জেলা পরিষদের ঠিকাদারদের উদ্যোগে এই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। বক্তব্য রাখেন ঠিকাদার তোফায়েল ইসলাম তোহেল, আনিছুজ্জামান বায়েছ, আতাউর রহমানসহ অন্যান্যরা।
লিখিত অভিযোগে তারা উল্লেখ করেন, মৌলভীবাজার জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা শামীমা খন্দকার আওয়ামী ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে নিয়োগপ্রাপ্ত একজন আওয়ামী ঘরানার ব্যক্তি। তিনি বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকারের উন্নয়নবিরোধী কর্মকাণ্ডে সরাসরি জড়িত এবং সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার চক্রান্তে লিপ্ত। এছাড়া, তিনি দুর্নীতিগ্রস্ত কমিশন গ্রহণকারী কর্মকর্তা হিসেবে পরিচিত। জেলা পরিষদের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজে ঠিকাদারদের তার নির্দেশ অনুযায়ী কাজ না করলে বিভিন্নভাবে হয়রানি, ভয়ভীতি প্রদর্শন ও মিথ্যা অভিযোগের মাধ্যমে টাকা দাবি করেন, নতুবা কাজের ফাইল আটকিয়ে রাখেন।
জেলা পরিষদের আওতাধীন জলমহাল ও বিভিন্ন দোকান কোঠা থেকে উচ্চমান সহকারী এনামের মাধ্যমে মাসুরা উৎকোচ গ্রহণের অভিযোগ রয়েছে। জেলা পরিষদের ডাক বাংলার স্টাফদের মধ্যে যে অতিরিক্ত টাকা প্রদান করবে, তাকে নিয়োগ দেওয়া হবে। পূর্ববর্তী সরকারের আমলে তার অনেক ফাইল পর্যালোচনা করলে ভূয়া বিল ও ভাউচার অনুযায়ী অনেক টাকা উত্তোলনের প্রমাণ পাওয়া যাবে।
আওয়ামী আমলে জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক মিছবাহুর রহমানের সহযোগিতায় তারা জেলা পরিষদকে একটি দুর্নীতির আখড়ায় পরিণত করেছিলেন। এর ফলস্বরূপ, আওয়ামী সরকারের ফ্যাসিস্ট প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা শামীমা খন্দকার তার একক কর্তৃত্ব ও চাঁদাবাজি পার্সেন্টিজ চালিয়ে যাচ্ছেন।
তিনি ঠিকাদারদের সিডিউল অনুযায়ী কাজ না করিয়ে তার নিজস্ব ক্ষমতাবলে আইটেম পরিবর্তন করে কাজ করান, যা বেআইনী এবং ২০২৪ সালের পিপিআর আইন লঙ্ঘন করে। পরবর্তীতে বিল আটক করে পার্সেন্টিজ আদায় করেন।
এ বিষয়ে জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা শামীমা খন্দকার জানান, ঠিকাদারদের মানববন্ধন করে তার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ তোলা হয়েছে, তা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট। তিনি ঠিকাদারদের বিলের বিষয়টি নিয়মতান্ত্রিকভাবে পরিচালনা করছেন।
বক্তারা আগামী ৪৮ ঘন্টার মধ্যে জেলা পরিষদ থেকে শান্তিপূর্ণ বদলির জোর দাবি জানান। পরে তারা জেলা প্রশাসক বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করেন। এছাড়া, ঠিকাদাররা শ্রম, কর্মসংস্থান ও প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রণালয়, সংসদ সদস্য, সংস্থাপন মন্ত্রণালয় ও সিলেট বিভাগের বিভাগীয় কমিশনারের কাছে লিখিত অভিযোগ পাঠান।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন