প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, খবরে উল্লেখ করা হচ্ছে যে, বিশ্বে বসবাসের অযোগ্য তালিকায় ঢাকা তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে। এ বিষয় নিয়ে আমাদের সিরিয়াসলি চিন্তা করতে হবে।
বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে জাতীয় পরিবেশ পদক বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি এই কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন, মিল কারখানার কারণে পরিবেশের দূষণ যেভাবে হচ্ছে, সেই বিষয়ে আমাদের সকলের দায় রয়েছে। ইকোসিস্টেমের নিরাপদ লালন ও বিকাশের সঙ্গে মানবসমাজ সম্পর্কিত। বৃক্ষমেলা নিরাপদ ভবিষ্যৎ নির্মাণে বিনিয়োগের প্রতীক। এটি শুধুমাত্র আনুষ্ঠানিকতায় সীমাবদ্ধ থাকা উচিত নয়, নৈমিত্তিকভাবে করতে হবে।
তিনি বলেন, সন্তান জন্ম নিলে আমরা তার নামে একটি গাছ লাগাতে পারি। এই ধরনের উদ্যোগ লন্ডনের মতো অন্যান্য স্থানে প্রচলিত আছে।
সরকার গ্রিন ভলান্টিয়ারিজম চালুর পরিকল্পনা করে তারেক রহমান আরো বলেন, ক্লাইমেট ইয়ুথ ফেলোশিপ চালুসহ একাধিক প্রোগ্রাম গ্রহণ করা হচ্ছে। নিরাপদ, স্বাস্থ্যকর, সবুজায়নের লক্ষ্যে সরকার ৫ লক্ষ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষ রোপণের পরিকল্পনা করেছে। আমরা ছাদ বাগান, নগর বনায়ন এবং ইকো ট্যুরিজমকে অর্থনীতির নতুন ক্ষেত্র হিসেবে পরিগণিত করতে চাই। এছাড়া রিডিউস, রিইউজ, রিসাইকেল জাতীয় পর্যায়ে বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।
তিনি এ সময় বলেন, আকাশমনির মতো অনেক ক্ষতিকর গাছ আছে, যা রোপণের ক্ষেত্রে বাদ দিতে হবে। এছাড়া কোন মাটিতে কোন গাছ রোপণ করা হবে, তা সম্পর্কে সচেতন হতে হবে। দেশীয় গাছ, বিশেষ করে ঔষধিসহ স্থানীয় গাছ রোপণের দিকে মনোযোগ দিতে হবে।
তিনি আরও জানান, সবকিছু আইন দিয়ে করা সম্ভব নয়, সচেতনতার মাধ্যমে এগুলো বাস্তবায়ন করতে হবে।
অনুষ্ঠানে ৭টি ক্যাটাগরিতে মোট ২১ জনের হাতে জাতীয় পরিবেশ পদক তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন