প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় পরীক্ষা হলো সাধারণত গতি ও বাউন্স সামলানো। কিন্তু ডারউইনের মারারা স্টেডিয়ামে সেই চ্যালেঞ্জ কিছুটা কম হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে, এমন আশাবাদ জানাচ্ছে বাংলাদেশ। প্রথম টেস্টের আগে কিউরেটর জ্যাক পাভলিচ বলেছেন, উইকেটটি ব্যাটার এবং বোলার উভয় পক্ষকেই সহায়তা করবে।
পাভলিচের মতে, মারারার উইকেটে রান করার যথেষ্ট সুযোগ থাকবে। একইভাবে, সঠিক জায়গায় বল করতে পারলে বোলাররাও সহায়তা পাবেন। ফলস্বরূপ, গ্যাবা অথবা পার্থের মতো অতিরিক্ত বাউন্সের মুখোমুখি নাও হতে পারে বাংলাদেশের ব্যাটাররা।
ডারউইনের তীব্র রোদও বাংলাদেশের জন্য ইতিবাচক হতে পারে। ম্যাচের গতির সঙ্গে শুষ্ক আবহাওয়ার কারণে উইকেট স্পিনারদের সহায়তার কিছুটা সম্ভাবনা রয়েছে। এ ক্ষেত্রে মেহেদী হাসান মিরাজ ও তাইজুল ইসলামের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে।
তবে ম্যাচের শুরুতে বাংলাদেশের মূল ভরসা থাকবে পেসারদের উপর। চোটের কারণে নাহিদ রানা নেই এবং প্রথম টেস্টে শরীফুল ইসলামও খেলছেন না। এর ফলে তাসকিন আহমেদ, ইবাদত হোসেন, হাসান মাহমুদ ও খালেদ আহমেদের উপর নতুন বলের দায়িত্ব থাকবে।
অস্ট্রেলিয়ার ব্যাটিং লাইনআপে বাংলাদেশের জন্য বড় হুমকি হতে পারেন ট্রাভিস হেড। তার আগ্রাসী ব্যাটিংয়ে দ্রুত রান তোলার ক্ষমতা রয়েছে। তার সঙ্গে মারনাস লাবুশেন এবং স্টিভেন স্মিথের মতো অভিজ্ঞ ব্যাটারও রয়েছেন। তাদের থামানোর জন্য বাংলাদেশের বোলারদের শুরু থেকেই নিখুঁত হতে হবে।
অন্যদিকে বাংলাদেশের ব্যাটারদের সামনে অপেক্ষা করছে অস্ট্রেলিয়ার শক্তিশালী পেস আক্রমণ। প্যাট কামিন্স, মিচেল স্টার্ক এবং জশ হ্যাজলউডের বিপক্ষে নতুন বল সামলাক, ভালো শুরু করাই হতে পারে ম্যাচে টিকে থাকার প্রধান চাবিকাঠি।
বাংলাদেশের ফিল্ডিং কোচ আশিকুর রহমান মজুমদার জানিয়েছেন, দল মানসিকভাবে প্রস্তুত এবং মাঠে লড়াই করতে আত্মবিশ্বাসী। অস্ট্রেলিয়ার ট্রাভিস হেডও বাংলাদেশকে হালকাভাবে নেওয়ার সুযোগ নেই বলে মনে করেন।
বাংলাদেশের বিপক্ষে প্রথম টেস্টের একাদশ ম্যাচের একদিন আগে ঘোষণা করেছে অস্ট্রেলিয়া। দলে রাখা হয়েছে অভিজ্ঞ পেস ত্রয়ী কামিন্স, স্টার্ক ও হ্যাজলউডকে এবং একাদশে ফিরেছেন ক্যামেরন গ্রিনও।
অস্ট্রেলিয়ার একাদশ: জেক ওয়েদারাল্ড, ট্রাভিস হেড, মারনাস লাবুশেন, স্টিভেন স্মিথ, ক্যামেরন গ্রিন, অ্যালেক্স ক্যারি (উইকেটরক্ষক), বেউ ওয়েবস্টার, মিচেল স্টার্ক, প্যাট কামিন্স (অধিনায়ক), নাথান লায়ন এবং জশ হ্যাজারউড।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন