প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের সংঘাতের তীব্রতা আবারও বৃদ্ধি পাচ্ছে। ইউক্রেনের জাপোরিঝিয়ায় রুশ গাইডেড বোমা হামলায় অন্তত তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। এই হামলায় একাধিক বাড়িঘর ধ্বংস হয়ে গেছে এবং আশপাশের স্থাপনাগুলোও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ইউক্রেনের স্থানীয় প্রশাসন আশঙ্কা প্রকাশ করেছে যে, ধ্বংসস্তূপের নিচে আরও একজন আটকা পড়ে থাকতে পারেন। স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) ইউক্রেনের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় শহর জাপোরিঝিয়ায় রুশ বাহিনী তিনটি গাইডেড এয়ার বোমা ফেলা হয়, যার ফলে অনেকের হতাহতের খবর পাওয়া গেছে।
উত্তরের দিক থেকে পাল্টা জবাবে কৃষ্ণসাগরে রাশিয়ার শ্যাডো ফ্লিটের দুটি তেলবাহী ট্যাংকারে ড্রোন হামলার দাবি করেছে ইউক্রেনের নিরাপত্তা সংস্থা এসবিইউ। তারা দাবি করেছে, লুইস-ওয়ান ও বান্দা নামক জাহাজ দুটি আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা এড়িয়ে রাশিয়ার অপরিশোধিত তেল পরিবহনের জন্য ব্যবহৃত হচ্ছিল। এই হামলার কারণে রাশিয়ার অর্থনীতির একটি প্রধান ভিত্তি জ্বালানি রফতানির ওপর আঘাত এসেছে। কারণ সাম্প্রতিক মাসগুলোতে ইউক্রেন বারবার রুশ তেল শোধনাগার, জ্বালানি অবকাঠামো এবং সমুদ্রপথে সরবরাহ ব্যবস্থাগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করেছে।
যুদ্ধের প্রায় সাড়ে চার বছরের পর কূটনৈতিক উদ্যোগগুলো স্থবির হয়ে রয়েছে। ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ জানিয়েছেন, তুরস্ক মধ্যস্থতার জন্য আগ্রহী হলেও নতুন করে শান্তি আলোচনা শুরু করার কোনো সম্ভাবনা নেই।
এসব উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতির মধ্যে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার কিয়েভে পৌঁছেছেন বিদায়ী সফরে। তিনি প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির সঙ্গে বৈঠক করেন, যেখানে ইউক্রেনের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বৃদ্ধি, পশ্চিমা সামরিক সহায়তার অগ্রগতি এবং ভবিষ্যৎ নিরাপত্তা সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা করেন। বৈঠকের আগে দুই নেতা কিয়েভে নিহত ইউক্রেনীয় সেনাদের স্মৃতিস্তম্ভে শ্রদ্ধা জানান।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন