প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
বিশ্বব্যাপী তুলনামূলকভাবে কম বয়সী মানুষের মধ্যে কোলন ক্যানসার শনাক্ত হওয়ার ঘটনা বৃদ্ধি পাচ্ছে। এই রোগটি অনেক সময় শুরুতে নীরবভাবে অগ্রসর হয় এবং স্পষ্ট উপসর্গ দেখা দিতে সময় লাগে। তাই সূক্ষ্ম সতর্কসংকেতগুলো চিহ্নিত করা এবং দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পাশাপাশি, প্রতিদিনের কিছু স্বাস্থ্যকর অভ্যাস কোলন ক্যানসারের ঝুঁকি কমাতে সহায়ক হতে পারে।
কফি পান করুন
কফিতে প্রচুর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও প্রদাহরোধী উপাদান বিদ্যমান। এগুলো কোষের ক্ষতি ও প্রদাহ থেকে শরীরকে সুরক্ষিত রাখতে সহায়তা করতে পারে। কিছু গবেষণায় দেখা গেছে, কফি পানের সঙ্গে কোলোরেক্টাল ক্যানসারের ঝুঁকি কম থাকার সম্পর্ক রয়েছে। একই সঙ্গে, কফি পানের ফলে সব ধরনের মৃত্যুর ঝুঁকি কমানোর সম্পর্কও পাওয়া গেছে।
পর্যাপ্ত ক্যালসিয়াম গ্রহণ করুন
ক্যালসিয়ামসমৃদ্ধ খাবার অন্ত্রে থাকা ক্ষতিকর উপাদানের সঙ্গে যুক্ত হয়ে সেগুলোকে কোলনের অভ্যন্তরীণ আবরণে ক্ষতিকর প্রভাব ফেলা থেকে রোধ করতে পারে। বিশেষজ্ঞদের মতে, ক্যালসিয়ামসমৃদ্ধ খাবার কোলোরেক্টাল ক্যানসারের ঝুঁকি কমাতে সহায়ক। সাধারণ দই, দুধ বা অন্যান্য ক্যালসিয়ামসমৃদ্ধ খাবার গ্রহণ করা যেতে পারে।
প্রক্রিয়াজাত মাংস কম খান
প্রতিদিন প্রক্রিয়াজাত মাংস খেলে কোলন ক্যানসারের ঝুঁকি বৃদ্ধি পেতে পারে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) প্রক্রিয়াজাত মাংসকে ‘গ্রুপ-১ কার্সিনোজেন’ হিসেবে শ্রেণিবদ্ধ করেছে। এর মানে হলো, এটি মানুষের ক্যানসারের কারণ হতে পারে—এমন যথেষ্ট প্রমাণ বিদ্যমান।
আঁশযুক্ত খাবার বেশি খান
আঁশসমৃদ্ধ খাবার হজম ও অন্ত্রের স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী। এই খাবারগুলো নিয়মিত মলত্যাগে সহায়তা করে, রক্তে শর্করার মাত্রা স্থিতিশীল রাখতে সাহায্য করে এবং কোলন ক্যানসারের ঝুঁকি কমাতে সহায়ক হতে পারে। খাবারে শিম, মসুর ডাল, পূর্ণ শস্য, ফল, শাকসবজি, বাদাম ও বীজ অন্তর্ভুক্ত করা উচিত।
উপসর্গের অপেক্ষা না করে স্ক্রিনিং করুন
প্রতিরোধমূলক স্বাস্থ্য পরীক্ষা কোলনে অস্বাভাবিকতা প্রাথমিক পর্যায়ে শনাক্ত করতে সাহায্য করে। ফলে সময়মতো চিকিৎসা নেওয়া সম্ভব হয় এবং রোগের অগ্রগতির ঝুঁকি কমানো যায়। বয়স বাড়ার সঙ্গে নিয়মিত পরীক্ষা আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে।
চিকিৎসকরা বলেন, প্রাথমিক পর্যায়ের কোলোরেক্টাল ক্যানসারে অনেক সময় স্পষ্ট কোনো সতর্কসংকেত থাকে না। গড় ঝুঁকির প্রাপ্তবয়স্কদের ৪৫ বছর বয়স থেকে স্ক্রিনিং শুরু করা উচিত। তবে পরিবারের কারও এ রোগের ইতিহাস বা অন্য কোনো ঝুঁকি থাকলে আরও কম বয়সে স্ক্রিনিং শুরু করার প্রয়োজন হতে পারে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন