প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
সরকার ‘সেরা করদাতা পুরস্কার নীতিমালা, ২০২৬’ প্রণয়নের উদ্যোগ নিয়েছে, যার লক্ষ্য হলো কর প্রদানে উৎসাহ তৈরি করা এবং করদাতাদের সামাজিকভাবে সম্মানিত করা। নতুন এ নীতিমালার আওতায় খাতভিত্তিক সর্বোচ্চ কর প্রদানকারী ৬৭ জনকে ‘সেরা করদাতা’ হিসেবে পুরস্কৃত করা হবে।
এ ঘোষণা দিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, যা বৃহস্পতিবার (১১ জুন) জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট উপস্থাপনকালে প্রকাশিত হয়েছে।
অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন, করদাতাদের যথাযথ সম্মান ও স্বীকৃতি প্রদান করা, যাতে করে তারা সামাজিকভাবে সম্মানিত হন এবং অন্যদের কর প্রদানে উৎসাহিত করার উদ্দেশ্যে ‘সেরা করদাতা পুরস্কার নীতিমালা, ২০২৬’ প্রণয়ন করা হয়েছে। এর ভিত্তিতে মোট ৬৭ জন সেরা করদাতাকে পুরস্কার প্রদান করা হবে, যার মধ্যে খাতভিত্তিক সর্বোচ্চ ২২টি পুরস্কার অন্তর্ভুক্ত থাকবে।
সেরা করদাতা ব্যক্তিরা বিভিন্ন বিশেষ সুবিধা পাবেন, যেমন জাতীয় অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ, জেলা ও জাতীয় পর্যায়রে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের সুযোগ, সার্কিট হাউসে অগ্রাধিকার, সরকারি হাসপাতালে কেবিন সুবিধা, যানবাহনে টিকেট অগ্রাধিকার এবং বিমানবন্দরে ভিআইপি লাউঞ্জ ব্যবহারের সুযোগ। তাদের ক্রীড়া প্রদর্শনীতে টিকেট প্রাপ্তিতেও অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।
আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরে মোট ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকা ব্যয় প্রাক্কলন করা হয়েছে, যা জিডিপির ১৩.৭ শতাংশ এবং এটি বিগত অর্থবছরের বাজেটের তুলনায় ১ লাখ ৪৮ হাজার কোটি টাকা বেশি। এছাড়া বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে মোট ৩ লাখ কোটি টাকার প্রস্তাবসহ মোট উন্নয়ন ব্যয় ৩ লাখ ১৬ হাজার ৭৫ কোটি টাকা এবং পরিচালনসহ অন্যান্য খাতে মোট ৬ লাখ ২১ হাজার ৯২৫ কোটি টাকার বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে।
২০২৬-২৭ অর্থবছরে মোট ৬ লাখ ৯৫ হাজার কোটি টাকা রাজস্ব আয় প্রাক্কলন করা হয়েছে, যা জিডিপির ১০.২ শতাংশ। এর মধ্যে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের মাধ্যমে ৬ লাখ ৪ হাজার কোটি টাকা এবং অন্যান্য উৎস থেকে ৯১ হাজার কোটি টাকা সংগ্রহ করার প্রস্তাব করা হয়েছে।
এবারের প্রস্তাবিত বাজেটে ঘাটতির পরিমাণ দাঁড়াবে ২ লাখ ৪৩ হাজার কোটি টাকা, যা জিডিপির ৩.৬ শতাংশ। এই ঘাটতির মধ্যে ১ লাখ ২৭ হাজার কোটি টাকা অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে এবং ১ লাখ ১৬ হাজার কোটি টাকা বৈদেশিক উৎসের মাধ্যমে নির্বাহ করার জন্য প্রস্তাব করা হয়েছে। অভ্যন্তরীণ উৎসের মধ্যে ব্যাংকিং ব্যবস্থা থেকে ১ লাখ ১২ হাজার কোটি টাকা নির্বাহ করা হবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন