প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
জাতিসংঘের ৮১তম সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে বক্তব্য দেওয়ার সময় ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু যখন বক্তৃতা শুরু করেন, তখন বিভিন্ন দেশের অনেক প্রতিনিধি কক্ষ ছেড়ে বেরিয়ে যান। গাজায় ইসরাইলের সামরিক অভিযান এবং ফিলিস্তিন নীতির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ হিসেবে এই ওয়াকআউটের ঘটনা ঘটে।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সদর দপ্তরে নেতানিয়াহু অধিবেশন কক্ষে প্রবেশ করার পরপরই পোডিয়ামে উঠে বক্তব্য শুরু করার আগেই কিছু প্রতিনিধি কক্ষ ত্যাগ করেন। ফলে বক্তব্যের সময় অধিবেশন কক্ষের একটি বড় অংশের আসন খালি হয়ে যায়।
এ সময় অধিবেশন কক্ষে নেতানিয়াহুর বক্তব্যের বিরোধিতা করে দুয়োধ্বনি ও প্রতিবাদ শোনা যায়। অন্যদিকে, ইসরাইলি প্রতিনিধিদলের সদস্যরা দাঁড়িয়ে নেতানিয়াহুকে সমর্থন জানিয়ে করতালি দেন।
প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ফিলিস্তিনি মিশন জাতিসংঘের সদস্যদেশগুলোর প্রতিনিধিদের নেতানিয়াহুর বক্তব্যের সময় সম্মিলিতভাবে অধিবেশন কক্ষ ত্যাগ করার আহ্বান জানিয়েছিল। এর ফলে বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিরা একসঙ্গে কক্ষ থেকে বেরিয়ে যান।
নেতানিয়াহুর বক্তব্যের পর প্রতিনিধি ওয়াকআউটের প্রতিক্রিয়ায় তিনি তাদের ‘নৈতিকভাবে কাপুরুষ’ বলে মন্তব্য করেন। তিনি আরও বলেন, যারা এখনো কক্ষে রয়েছেন, তাদের মধ্যে কেউ একই অবস্থান ধারণ করলে তাদেরও কক্ষ ছেড়ে যেতে হবে।
বক্তব্যে নেতানিয়াহু গাজা যুদ্ধের প্রেক্ষিতে ইসরাইলের অবস্থানের পক্ষে সাফাই দেন এবং ইসরাইলের বিরুদ্ধে গণহত্যার অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেন। একই সঙ্গে ইরানের বিরুদ্ধে ইসরাইলের সামরিক পদক্ষেপের সমর্থনে বক্তব্য রাখেন।
নেতানিয়াহুর বক্তব্যের কারণে এই ওয়াকআউট জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে ইসরাইলের গাজা নীতি নিয়ে বিদ্যমান তীব্র কূটনৈতিক মতবিরোধের আরেকটি প্রকাশ হিসেবে দেখা যায়।
এর আগে অধিবেশনের অন্যান্য বক্তব্যেও গাজা ও ফিলিস্তিন ইস্যুতে ইসরাইলের নীতির সমালোচনা করা হয়।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন