প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
চট্টগ্রামের সাতকানিয়া উপজেলার বাজালিয়া ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের চৌধুরীপাড়ায় সাঙ্গু নদীর ভাঙনে বেড়িবাঁধ বারবার ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। বর্ষা মৌসুমে প্রবল বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলের ফলে নদীতে সৃষ্ট তীব্র স্রোত বাঁধের বিভিন্ন অংশকে ভেঙে ফেলেছে। এর ফলে বসতঘর, কবরস্থান, মসজিদ, গ্রামীণ সড়ক এবং ফসলি জমি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, পাশাপাশি স্থানীয় মানুষের জীবনযাত্রাও ঝুঁকির মুখে পড়েছে। বিশেষ করে, ভাঙনকবলিত সড়ক ব্যবহার করতে হচ্ছে শিক্ষার্থীদের, যা তাদের জন্য মৃত্যুঝুঁকির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সর্বশেষ গত জুলাই মাসের শুরুতে প্রবল বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলের কারণে সাঙ্গু নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে চৌধুরীপাড়া এলাকায় বেড়িবাঁধের একটি অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এক পর্যায়ে নদীর পানি লোকালয়ে প্রবেশ করে, যা এলাকার মানুষের জন্য দুর্ভোগ সৃষ্টি করে। পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের পক্ষ থেকে বেড়িবাঁধ জরুরি মেরামতের জন্য ১৯ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়।
বরাদ্দের অর্থ দিয়ে নদীভাঙন রোধে ১৫০ মিটার এলাকায় জিও টিউব স্থাপনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। हाल ही में কাজ শুরু হলেও নতুন করে নদীভাঙন দেখা দেওয়ায় প্রকল্পের বাস্তবায়ন বাধাগ্রস্ত হয়েছে। কাজ চলাকালে বেড়িবাঁধের বেশ কিছু অংশ সাঙ্গু নদীগর্ভে ধসে পড়ে, ফলে আপাতত জিও টিউব স্থাপনের কাজ বন্ধ রাখা হয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দা মোজাম্মেল হক, মোহাম্মদ জামাল এবং মোহাম্মদ ফোরকান জানান, বর্ষা এলেই সাঙ্গু নদীর ভাঙন নিয়ে আতঙ্কে থাকতে হয়। নদীর স্রোতে বেড়িবাঁধ ভেঙে যাওয়ায় বসতবাড়ি, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, কবরস্থান, ফসলি জমি এবং চলাচলের সড়ক হুমকির মুখে পড়েছে। ভাঙন অব্যাহত থাকলে আরো বিস্তীর্ণ এলাকা নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
পটিয়া পানি উন্নয়ন শাখা-১-এর উপসহকারী প্রকৌশলী মাহবুব আলম জানান, নদীভাঙনের কারণে নির্ধারিত স্থানের বেড়িবাঁধের বেশ কিছু অংশ ধসে পড়েছে। এ অবস্থায় আগের পরিকল্পনা অনুযায়ী কাজ চালিয়ে যাওয়া সম্ভব হচ্ছে না। নতুন করে সমীক্ষা চালিয়ে পরিস্থিতি পর্যালোচনা করতে হবে। এরপর ভাঙন প্রতিরোধে টেকসই পদ্ধতি নির্ধারণ করে কাজ শুরু করতে হবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন