প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
টাকার অভাবে ছেলের পড়ালেখা আর এগিয়ে নেওয়া সম্ভব হচ্ছিল না। অনিশ্চয়তা আর হতাশা নিয়ে সন্তানের ভবিষ্যতের জন্য যে মা দিশেহারা হয়ে পড়েছিলেন, তাঁর পাশে আশার আলো হয়ে দাঁড়ালেন চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জিল্লুর রহমান।
সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) সকালে ইউএনও কার্যালয়ে ওই অসহায় মায়ের হাতে উপহার হিসেবে তুলে দেওয়া হয় প্রয়োজনীয় আর্থিক সহায়তা।
জানা গেছে, পারিবারিক চরম আর্থিক সংকটে পড়ে ওই নারী তাঁর ছেলের পড়াশোনার ভবিষ্যৎ নিয়ে গভীর দুশ্চিন্তায় দিন কাটাচ্ছিলেন। বিষয়টি গোমস্তাপুরের ইউএনও জিল্লুর রহমানের নজরে আসামাত্রই তিনি আর দেরি করেননি; পরম মমতায় বাড়িয়ে দেন সহযোগিতার হাত।
সহায়তা হাতে পেয়ে আবেগাপ্লুত ওই মা কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, "সন্তানের পড়াশোনা বন্ধ হয়ে যাওয়ার উপক্রম হয়েছিল। দিনে-রাতে কেবল একটাই চিন্তা তাড়া করে বেড়াত। ইউএনও স্যারের এই সহযোগিতা আমার সব দুশ্চিন্তা দূর করে দিয়েছে। আমি সারা জীবন তাঁর এই অবদান মনে রাখব।"
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই মো. জিল্লুর রহমান গোমস্তাপুরের অসহায় ও মেহনতি মানুষের বিপদে-আপদে পাশে দাঁড়াচ্ছেন। কেবল দাপ্তরিক কাজ নয়, এমন একের পর এক মানবিক উদ্যোগে স্থানীয় সাধারণ মানুষের হৃদয়ে বিশেষ জায়গা করে নিয়েছেন তিনি।
ইউএনওর এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, সরকারি দায়িত্ব সামলানোর পাশাপাশি সাধারণ মানুষের বিপদে এভাবে এগিয়ে আসা সত্যিই অনুকরণীয়। এমন অফিসারদের হাত ধরেই সমাজ বদলে যায়।
নিজের এই মানবিক পদক্ষেপ নিয়ে ইউএনও জিল্লুর রহমান অত্যন্ত বিনীতভাবে বলেন, "অসহায় ও আর্তপীড়িত মানুষের পাশে দাঁড়ানো কেবল কাজ নয়, আমাদের সামাজিক ও নৈতিক দায়িত্ব। নিজের সামান্য সামর্থ্য দিয়ে একজন শিক্ষার্থীর পড়ার স্বপ্ন বাঁচিয়ে রাখতে পেরেছি—এটাই আমার সবচেয়ে বড় তৃপ্তি। মানুষের কল্যাণে আমাদের এ চেষ্টা অব্যাহত থাকবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন